1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
কৃষক থেকে গলদা চাষে উদাহরণ মারুফ - khulnarprotichchobi
২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বুধবার| দুপুর ১২:২৫|
শিরোনামঃ
খুলনায় আজমুল হত্যা মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে সোনাডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ,নগর প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার আপন শহরে সমাধির জন্য দুই গজ মাটিও জুটল না মুঘল শেষ সম্রাট জাফরের সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলায় বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৩৪ পদে নিয়োগ আজ থেকে নতুন দামে জ্বালানি তেল, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা। দিঘলিয়ায় বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গভীর রাতে যুবকের মৃত্যু, শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে রহস্য। চিত্রার তীরে ধ্বংসস্তূপে ঢাকা নড়াইলের আড়াইশ বছরের হাটবাড়িয়া জমিদার বাড়ি কালের গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে কিয়ন্তি স্মৃতি: নড়াইলে নিহার রঞ্জন গুপ্তের পৈতৃক নিবাসের বর্তমান হালচাল

কৃষক থেকে গলদা চাষে উদাহরণ মারুফ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫
Spread the love

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রুদাঘরা ইউনিয়নের কেওড়াতলার মারুফ সরদার এখন গলদা চিংড়ি চাষে সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত। এক সময় তিনি ছিলেন একেবারে সাধারণ চাষি—চিংড়ি চাষ সম্পর্কে তেমন ধারণা ছিল না। কিন্তু নিজের পরিশ্রম, ধৈর্য, এবং আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগে আজ তিনি এলাকার অনুকরণীয় সফল উদ্যোক্তা।

মাত্র ১২০ শতক জল আয়তনের ঘেরে মারুফের উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৮৫০ কেজি গলদা চিংড়ি—অর্থাৎ শতকে সাত কেজিরও বেশি। পাশাপাশি তিনি সাদা মাছ বিক্রি করেছেন প্রায় ৭০ হাজার টাকার। এলাকাবাসী জানায়, সাধারণত স্থানীয় চাষিদের ঘেরে শতকে তিন থেকে চার কেজির মতো উৎপাদন হয়, কিন্তু মারুফের সাফল্য এখন সেই ধারা ভেঙে দিয়েছে।

একসময় তার ঘের ছিল অগভীর, বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যেত, ফলে উৎপাদন হত কম। কিন্তু বর্তমানে তিনি ঘেরের গভীরতা পাঁচ ফুট পর্যন্ত বাড়িয়েছেন, পাড়ের প্রস্থও করেছেন পাঁচ ফুটের বেশি। পুরো ঘের জাল দিয়ে ঘেরা—যা মাছের নিরাপত্তা ও পানির ভারসাম্য রক্ষা করে।
নিয়মিত তিনি চুন, প্রিবায়োটিক ও প্রোবায়োটিক প্রয়োগ করেন, পোনা ছাড়েন নিয়ম মেনে এবং মানসম্মত ফিড ব্যবহার করেন।

মারুফ সরদার বলেন,

> “আগে ঘেরের সঠিক ব্যবস্থাপনা জানতাম না। এখন মৎস্য অফিসের পরামর্শ মেনে চলছি। নিয়মিত পানি পরীক্ষা, ঘেরের গভীরতা বৃদ্ধি, ভালো মানের পিএল, মানসম্মত ফিড ব্যবহার ও নিয়মিত পরিচর্যা করাই আমার সাফল্যের মূল রহস্য।”

 

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান বলেন,

> “মারুফ সরদার অত্যন্ত পরিশ্রমী চাষি। তিনি নিয়মিত অফিসে এসে পরামর্শ নেন। এ বছর তিনি দুটি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন—একটি দুই দিনের এবং একটি পাঁচ দিনের। তার সাফল্য অন্য চাষিদের জন্য অনুপ্রেরণা।”

 

বর্তমানে মারুফের ঘের স্থানীয় চাষিদের কাছে এক নমুনা ঘের হিসেবে পরিচিত। তার সাফল্যের গল্প এখন রুদাঘরা ও আশপাশের গ্রামগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক চাষিই এখন আধুনিক পদ্ধতিতে গলদা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

ডুমুরিয়ার মাটি ও পানির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গলদা চাষে এইভাবে এগিয়ে চলেছেন মারুফ সরদার—যা কেবল তার নয়, স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
মারুফের সাফল্যের গল্প প্রমাণ করে—সঠিক পরামর্শ, আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিশ্রম থাকলে গ্রামীণ মানুষও হতে পারেন সফল উদ্যোক্তা।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025