
রাজধানীর বাড্ডায় ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রভাবশালী বাড়িওয়ালার ছেলে তৌহিদুল ইসলাম আদালতের নির্দেশে তার গৃহকর্মীকে বিয়ে করেছেন।
রিক্সাচালক নুর ইসলামের মেয়ে কাজের উদ্দেশ্যে তৌহিদুল ইসলামের বাসায় গেলে গত চার মাসে একাধিকবার তরুণীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। অসুস্থ হয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি জানতে পারেন যে তিনি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এরপর ভুক্তভোগী আদালতে মামলা দায়ের করলে তৌহিদুল গ্রেপ্তার হন।
পরবর্তীতে শুনানির সময় আসামি পক্ষ জানায়, উভয়পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে তারা বিয়েতে রাজি হয়েছে। আদালতের নির্দেশনায় পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে অভিভাবকদের উপস্থিতিতে তৌহিদুল ইসলাম ও তরুণীর বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
বিয়ের সময় আদালত সতর্ক করেন যে, ভবিষ্যতে ভুক্তভোগীর সঙ্গে কোনও প্রকার নির্যাতন বা অমানবিক আচরণ করা হলে তৌহিদুলের বিরুদ্ধে আবারও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনাটি সামাজিকভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সমাজের সংশ্লিষ্টরা আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানালেও ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি না ঘটে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সবাই।