1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের ৯ জনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ জনি - khulnarprotichchobi
২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১০ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| শুক্রবার| রাত ৮:৫৪|
শিরোনামঃ
মুক্তিযুদ্ধের অমর স্মারক নড়াইলের ‘বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ কমপ্লেক্স’ চিত্রার তীরে শতাব্দীর সাক্ষী: ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যের মেলবন্ধনে নড়াইলের ঐতিহ্যবাহী বাঁধা ঘাট ইতিহাসের নীরব সাক্ষী লোহাগড়ার ঐতিহাসিক জোড় বাংলা মন্দির দিঘলিয়ায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে বসতঘর, সেলাই মেশিন, বাইসাইকেল ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ। খুলনায় তিনটি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ চিংড়ি পলাশের স্ত্রী গ্রেপ্তার। সোনাডাঙ্গার ফ্ল্যাটে নারী উদ্যোক্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। লবণচরায় আসামির দেখানো মতে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার। খুলনায় সোহাগ পরিবহনের ধাক্কায় বাবা-ছেলের মৃত্যু, আইসিইউতে আরেকজন। খুলনা টিটিসিতে বিনা খরচে জাপানি ভাষা শিক্ষা কোর্সের উদ্বোধন খুলনায় আজমুল হত্যা মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার

স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের ৯ জনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ জনি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
Spread the love

 

স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ পরিবারের ৯ জনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আশরাফুল রহমান জনি। ছোট ভাই সাব্বিরের বিয়েতে যোগ দিতে তিনি খুলনার কয়রায় গিয়েছিলেন। বিয়ে শেষে পরিবারের সদস্যরা একটি মাইক্রোবাসে রওনা দেন। তবে জনি মাইক্রোবাসে না উঠে মোটরসাইকেলে পিছন পিছন আসছিলেন। আর সেই কারণেই প্রাণে বেঁচে যান তিনি।

পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে জনির চোখের সামনেই মারা যান তার স্ত্রী ফারজানা সিদ্দিকা পুতুল এবং তিন সন্তান—আবু তালহা আলিফ, ইরাম ও রায়হানা রহমান। একই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান জনির বাবা, ভাই, বোন এবং তাদের সন্তানসহ মোট ৯ জন।

জনির মামা নেসারুল ইসলাম সবুজ বলেন, “আমার ভাগ্নে জনির স্ত্রীসহ তিন সন্তান মারা গেছে। এছাড়া তার বাবা, ভাই, বোন ও তাদের সন্তানরাও নিহত হয়েছেন। এত বড় শোকের পর থেকে জনি কোনো কথা বলছে না। সে বাকরুদ্ধ হয়ে ঝিম মেরে বসে থাকে, মাঝে মাঝে শুধু চারপাশে তাকায়।”

পরিবারের একের পর এক মৃত্যুসংবাদে জনির মা আঞ্জুমানয়ারা অসাড় হয়ে পড়েছেন। আর জীবিত থাকা আরেক ভাই সাদ্দাম ক্ষণে ক্ষণে মূর্ছা যাচ্ছেন।

এদিকে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জনিকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না। চোখের সামনে স্ত্রী, সন্তান, বাবা, ভাই ও বোনকে হারিয়ে অসহায়ের মতো নীরব হয়ে পড়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে নিহতদের একসঙ্গে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে কবরস্থানে পাশাপাশি ৯ জনকে দাফন করা হয়।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025