1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
রানা দাসের কৃষিতে সফলতার গল্প - khulnarprotichchobi
২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বৃহস্পতিবার| বিকাল ৩:৪২|
শিরোনামঃ
সোনাডাঙ্গার ফ্ল্যাটে নারী উদ্যোক্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। লবণচরায় আসামির দেখানো মতে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার। খুলনায় সোহাগ পরিবহনের ধাক্কায় বাবা-ছেলের মৃত্যু, আইসিইউতে আরেকজন। খুলনা টিটিসিতে বিনা খরচে জাপানি ভাষা শিক্ষা কোর্সের উদ্বোধন খুলনায় আজমুল হত্যা মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে সোনাডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ,নগর প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার আপন শহরে সমাধির জন্য দুই গজ মাটিও জুটল না মুঘল শেষ সম্রাট জাফরের সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলায় বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৩৪ পদে নিয়োগ আজ থেকে নতুন দামে জ্বালানি তেল, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা।

রানা দাসের কৃষিতে সফলতার গল্প

সুজিত বাছাড়
  • Update Time : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
Spread the love

 

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের শিক্ষিত তরুণ রানা দাস ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নিয়ে এলাকায় স্মার্ট কৃষির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। সরকারি মুহসিন কলেজ থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করা এই তরুণ পেশাগতভাবে ভিন্ন পথে না গিয়ে কৃষিকেই বেছে নিয়েছেন নিজের সম্ভাবনার ক্ষেত্র হিসেবে।
কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই কৃষির প্রতি তার ছিল আলাদা আগ্রহ। সেই আগ্রহ আর একাডেমিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ২০২৫ সালে তিনি শুরু করেন স্মার্ট কৃষি কার্যক্রম। শুরুটা ছিল মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষের মাধ্যমে। পরবর্তীতে তিনি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদে আরও এগিয়ে যান।
বর্তমানে রানা দাস ১২ শতক জমিতে চাষ করছেন “সাথি প্লাস” জাতের শসা, যা গুণগত মান ও স্বাদের দিক থেকে ইতোমধ্যেই বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। চাহিদা বেশি থাকায় এই জাতের শসা এখন স্মার্ট কৃষকদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
খুলনার প্রতিচ্ছবি অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে রানা দাস বলেন, “স্থানীয় এক সফল স্মার্ট কৃষকের কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি এই পথচলা শুরু করি। শুরুতে অনেকেই সমালোচনা করেছে, কিন্তু এখন তারা আমার কাজ দেখে প্রশংসা করছে। আমি মনে করি, বেকার বসে না থেকে চাকরির খোঁজের পাশাপাশি কৃষিকে আধুনিকভাবে গ্রহণ করলে ভালো কিছু করা সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, “স্মার্ট কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার খুব গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে সেচ, সার প্রয়োগ ও রোগবালাই দমন করতে পারলে উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পায়। ভবিষ্যতে আমি আরও বড় পরিসরে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে চাই এবং নতুনদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।”
রানা দাসের এই উদ্যোগে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছে বঙ্গচাষি-এর সফল স্মার্ট কৃষি উদ্যোক্তারা। কোনো সমস্যা দেখা দিলে তারা পরামর্শ দিয়ে পাশে দাঁড়াচ্ছেন।
এছাড়াও দিঘলিয়া কৃষি অফিস নিয়মিত তার প্রকল্প পরিদর্শন করছে এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করছে, যা তার এই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, রানা দাসের মতো শিক্ষিত তরুণরা কৃষিতে এগিয়ে এলে একদিকে যেমন বেকারত্ব কমবে, অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের কৃষিখাত আরও সমৃদ্ধ হবে।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025