1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
ডিজিটাল সেন্টার উদ্যেক্তা থেকে স্মার্ট কৃষি উদ্যেক্তা: উজ্জ্বল দাস একজন সফল উদ্যেক্তার গল্প - khulnarprotichchobi
২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| মঙ্গলবার| ভোর ৫:৪০|
শিরোনামঃ
আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে সোনাডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ,নগর প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার আপন শহরে সমাধির জন্য দুই গজ মাটিও জুটল না মুঘল শেষ সম্রাট জাফরের সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলায় বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৩৪ পদে নিয়োগ আজ থেকে নতুন দামে জ্বালানি তেল, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা। দিঘলিয়ায় বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গভীর রাতে যুবকের মৃত্যু, শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে রহস্য। চিত্রার তীরে ধ্বংসস্তূপে ঢাকা নড়াইলের আড়াইশ বছরের হাটবাড়িয়া জমিদার বাড়ি কালের গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে কিয়ন্তি স্মৃতি: নড়াইলে নিহার রঞ্জন গুপ্তের পৈতৃক নিবাসের বর্তমান হালচাল খুলনার ‘হোয়াইট হাউস’: বিদ্যুৎ ও নারী শিক্ষার আলোকবর্তিকা ঘোষ জমিদার বাড়ির ইতিহাস

ডিজিটাল সেন্টার উদ্যেক্তা থেকে স্মার্ট কৃষি উদ্যেক্তা: উজ্জ্বল দাস একজন সফল উদ্যেক্তার গল্প

সুজিত বাছাড়
  • Update Time : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
Spread the love

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের তরুণ উদ্যোক্তা উজ্জ্বল দাস—যিনি স্থানীয় দিঘলিয়া উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছে—এখন স্মার্ট কৃষিতে সফলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

দৈনন্দিন কাজের ফাঁকে অবসর সময়টুকু কাজে লাগিয়ে নিজস্ব সবজির ক্ষেতে সময় দিতেন উজ্জ্বল। প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির প্রতি আগ্রহ থেকেই একসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বঙ্গচাষি’র বিভিন্ন চাষাবাদ পদ্ধতি দেখে অনুপ্রাণিত হন তিনি। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে কৃষিকাজ শুরু করেন।

শুরুর পথটা সহজ ছিল না। পরিবার ও এলাকার অনেকেই প্রথমদিকে তার এই নতুন উদ্যোগকে তেমন গুরুত্ব দেননি, বরং নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাকে। তবে দৃঢ় মনোবল আর পরিশ্রমের জোরে সব বাধা অতিক্রম করেন উজ্জ্বল।

প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে শসা চাষ করেই চমক দেখান তিনি। ভালো ফলন ও বাজারমূল্য পেয়ে আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। এরপর ধীরে ধীরে নিজের চাষাবাদের পরিধি বাড়াতে থাকেন। বর্তমানে তিনি এক বিঘা জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে ‘সাথী প্লাস’ জাতের শসা চাষ করছেন এবং ৮ শতক জমিতে টমেটো চাষ করে ভালো ফলন পাচ্ছেন।

মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে উজ্জ্বল দাস এখন একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তার ক্ষেত এখন স্থানীয় কৃষকদের জন্য এক ধরনের শেখার জায়গা হয়ে উঠেছে।

উজ্জ্বল দাস জানান, “আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করলে কম খরচে বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব। শুরুতে অনেকেই নিরুৎসাহিত করেছিল, কিন্তু এখন তারাই এসে পরামর্শ নিচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, “যুব সমাজ চাইলে কৃষিকে পেশা হিসেবে নিয়ে স্বাবলম্বী হতে পারে। আমি চাই আমার মতো আরও অনেক তরুণ স্মার্ট কৃষির মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য বদলাক।”

বর্তমানে তিনি শুধু নিজের চাষাবাদেই সীমাবদ্ধ নেই। আশপাশের গ্রামের আগ্রহী কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে এলাকায় স্মার্ট কৃষির প্রতি আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয়দের মতে, উজ্জ্বল দাসের এই উদ্যোগ শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পুরো এলাকার কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025