1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
“আমাকে অনুসরণ করো”—পায়ের ছাপেই বিজ্ঞাপন দিত গ্রিক দেহব্যবসায়ীরা - khulnarprotichchobi
২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বুধবার| সকাল ৯:১৪|
শিরোনামঃ
আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে সোনাডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ,নগর প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার আপন শহরে সমাধির জন্য দুই গজ মাটিও জুটল না মুঘল শেষ সম্রাট জাফরের সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলায় বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৩৪ পদে নিয়োগ আজ থেকে নতুন দামে জ্বালানি তেল, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা। দিঘলিয়ায় বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গভীর রাতে যুবকের মৃত্যু, শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে রহস্য। চিত্রার তীরে ধ্বংসস্তূপে ঢাকা নড়াইলের আড়াইশ বছরের হাটবাড়িয়া জমিদার বাড়ি কালের গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে কিয়ন্তি স্মৃতি: নড়াইলে নিহার রঞ্জন গুপ্তের পৈতৃক নিবাসের বর্তমান হালচাল খুলনার ‘হোয়াইট হাউস’: বিদ্যুৎ ও নারী শিক্ষার আলোকবর্তিকা ঘোষ জমিদার বাড়ির ইতিহাস

“আমাকে অনুসরণ করো”—পায়ের ছাপেই বিজ্ঞাপন দিত গ্রিক দেহব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
Spread the love

 

প্রাচীন গ্রিসে দেহব্যবসা ছিল একটি স্বীকৃত ও প্রকাশ্য পেশা। এটি কোনো গোপন বা সামাজিকভাবে নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হতো না। ইতিহাসবিদদের মতে, সে সময় ‘পর্নাই’ নামে পরিচিত দেহব্যবসায়ীরা পতিতালয় কিংবা ব্যস্ত সড়কের পাশে প্রকাশ্যেই তাদের পেশা পরিচালনা করতেন। জনবহুল নগর এলাকায় ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে তাদের মধ্যে ছিল তীব্র প্রতিযোগিতা।
এই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে দেহব্যবসায়ীরা গ্রহণ করতেন অভিনব সব কৌশল। তারই একটি ছিল বিশেষ ধরনের স্যান্ডেল ব্যবহার। কিছু দেহব্যবসায়ী এমন স্যান্ডেল পরতেন, যার তলার অংশে খোদাই করা থাকত অক্ষর। ধুলোময় পথ বা মাটির ওপর হাঁটার সময় সেই পায়ের ছাপে ভেসে উঠত একটি স্পষ্ট বার্তা—
“আমাকে অনুসরণ করো” (Follow me)।
এই অভিনব পদ্ধতিতে কোনো লিখিত বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড কিংবা মুখের প্রচারণা ছাড়াই সম্ভাব্য খদ্দেরদের কাছে নিজের অবস্থান জানিয়ে দিতেন তারা। ইতিহাসবিদদের মতে, এটি ছিল সেই সময়ের এক ধরনের নীরব কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর বিপণন কৌশল।
গ্রিক সমাজে দেহব্যবসার গ্রহণযোগ্যতা এতটাই ছিল যে রাষ্ট্রীয়ভাবে এর ওপর কর আরোপ করা হতো। একে নৈতিক বিচ্যুতি নয়, বরং একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবেই দেখা হতো। তবে এই পেশার মধ্যেও ছিল সামাজিক স্তরভেদ।
রাস্তার দেহব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ছিলেন ‘হেটাইরাই’ নামে পরিচিত উচ্চশ্রেণির রমণীরা। তারা ছিলেন শিক্ষিত, বাগ্মী ও সংস্কৃতিমনা। সমাজে তারা বিশেষ মর্যাদা ভোগ করতেন এবং দার্শনিক, রাজনীতিক ও শিল্পীদের সঙ্গে সিম্পোজিয়াম ও সামাজিক আড্ডায় অংশ নিতেন। অনেক ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান ছিল।
ইতিহাসের এই অধ্যায় থেকে বোঝা যায়, প্রাচীন গ্রিসে দেহব্যবসা শুধু একটি পেশাই নয়, বরং সমাজ ও অর্থনীতির একটি স্বীকৃত অংশ ছিল—যেখানে এমনকি পায়ের ছাপও হয়ে উঠতে পারত বিজ্ঞাপনের ভাষা।

 

তথ্য ও ছবি : অনলাইন

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025