1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
নির্বাচনী সমঝোতায় জামায়াত-ইসলামী আন্দোলন: আসন বণ্টনের বিস্তারিত সমীকরণ - khulnarprotichchobi
২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| মঙ্গলবার| দুপুর ১২:২০|
শিরোনামঃ
আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে সোনাডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ,নগর প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার আপন শহরে সমাধির জন্য দুই গজ মাটিও জুটল না মুঘল শেষ সম্রাট জাফরের সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলায় বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৩৪ পদে নিয়োগ আজ থেকে নতুন দামে জ্বালানি তেল, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা। দিঘলিয়ায় বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গভীর রাতে যুবকের মৃত্যু, শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে রহস্য। চিত্রার তীরে ধ্বংসস্তূপে ঢাকা নড়াইলের আড়াইশ বছরের হাটবাড়িয়া জমিদার বাড়ি কালের গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে কিয়ন্তি স্মৃতি: নড়াইলে নিহার রঞ্জন গুপ্তের পৈতৃক নিবাসের বর্তমান হালচাল খুলনার ‘হোয়াইট হাউস’: বিদ্যুৎ ও নারী শিক্ষার আলোকবর্তিকা ঘোষ জমিদার বাড়ির ইতিহাস

নির্বাচনী সমঝোতায় জামায়াত-ইসলামী আন্দোলন: আসন বণ্টনের বিস্তারিত সমীকরণ

নিজেস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
Spread the love

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে নতুন সমীকরণের হাওয়া। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, আগামী ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই জোটের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, আর সেই লক্ষ্যেই নিজেদের রণকৌশল সাজাচ্ছে এই বৃহৎ জোট।

জোটের প্রধান শক্তি জামায়াতে ইসলামী এবার ১৯০টি আসন নিজেদের হাতে রেখে বাকি ১১০টি আসন শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আসন বণ্টনের এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রাথমিক সমঝোতা অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ৪০টি এবং এনসিপিকে ৩০টি আসন দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে। যদিও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আরও কিছু আসনের দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরছে, তবে প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক শক্তি বিবেচনায় নিয়ে জামায়াত কয়েকটি আসনে আরও নমনীয় হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

জোটের অন্যান্য শরিকদের মধ্যেও আসন ভাগাভাগির একটি খসড়া চিত্র পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস শুরুতে ২৫ থেকে ৩০টি আসনের জোরালো দাবি জানালেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা ১৫টি আসন পেতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এছাড়া খেলাফত মজলিস ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) উভয়কেই ৭টি করে আসন ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এলডিপির আসন সংখ্যা ৪ হবে নাকি ৭ থাকবে, তা নিয়ে এখনও দরকষাকষি চলছে। এই তালিকার পাশাপাশি আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি আসন পেতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

নির্বাচনী প্রস্তুতি হিসেবে এর আগে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ জোটের প্রতিটি দলই বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল। জামায়াত ২৭৬টি এবং ইসলামী আন্দোলন ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দিলেও সমঝোতা শেষে প্রতি আসনে মাত্র একজন জোটগত প্রার্থী রাখা হবে। অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে এনসিপি ৪৭টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯৪টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়ে তাদের শক্তি প্রদর্শন করেছিল। শনিবার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই জোটের চূড়ান্ত আসন সংখ্যা সম্পর্কে দেশবাসী নিশ্চিত হতে পারবেন।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এই সমঝোতা প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, জোটের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে অতি দ্রুতই একটি চূড়ান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেই বৈঠকেই অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করে জোটের মনোনীত একক প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নির্বাচনী মাঠে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, যার মূল লক্ষ্য মূলত ভোট ব্যাংক সুসংহত করে নির্বাচনী লড়াইয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025