1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের ৯ জনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ জনি - khulnarprotichchobi
১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শুক্রবার| সন্ধ্যা ৭:১৪|
শিরোনামঃ
বিশ্বকাপের উন্মাদনায় রাত জাগছেন? খেলা দেখার পাশাপাশি ঘুম ঠিক রাখার চিকিৎসকের দাওয়াই ডিজিটাল নিরাপত্তায় গুগলের বিশেষ ফিচার: সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলার সহজ উপায় বিশ্বকাপ ফুটবলের আড়ালে সাইবার প্রতারণার জাল: ফিফার ভুয়া ওয়েবসাইট নিয়ে এফবিআইয়ের সতর্কবার্তা মহাত্মা গান্ধীর ‘মীরাবাঈ’ ও খুলনার গর্ব: ভজনসম্রাজ্ঞী যূথিকা রায়ের কালজয়ী জীবনগাথা ঐতিহ্য আর ইতিহাসের অনন্য মেলবন্ধন: ভৈরব ও পশুর তীরের প্রাচীন জনপদ খুলনার সেনহাটি দেশের অন্যতম চিত্রগ্রাহক তৈয়ব রহমান আর নেই গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতন: খুলনায় পুলিশ দম্পতি কারাগারে সেনহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ–২০২৬ অনুষ্ঠিত কুমিরের আক্রমণে সুন্দরবনে নারী জেলে নিহত খুলনাসহ কয়েক বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের ৯ জনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ জনি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
Spread the love

 

স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ পরিবারের ৯ জনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আশরাফুল রহমান জনি। ছোট ভাই সাব্বিরের বিয়েতে যোগ দিতে তিনি খুলনার কয়রায় গিয়েছিলেন। বিয়ে শেষে পরিবারের সদস্যরা একটি মাইক্রোবাসে রওনা দেন। তবে জনি মাইক্রোবাসে না উঠে মোটরসাইকেলে পিছন পিছন আসছিলেন। আর সেই কারণেই প্রাণে বেঁচে যান তিনি।

পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে জনির চোখের সামনেই মারা যান তার স্ত্রী ফারজানা সিদ্দিকা পুতুল এবং তিন সন্তান—আবু তালহা আলিফ, ইরাম ও রায়হানা রহমান। একই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান জনির বাবা, ভাই, বোন এবং তাদের সন্তানসহ মোট ৯ জন।

জনির মামা নেসারুল ইসলাম সবুজ বলেন, “আমার ভাগ্নে জনির স্ত্রীসহ তিন সন্তান মারা গেছে। এছাড়া তার বাবা, ভাই, বোন ও তাদের সন্তানরাও নিহত হয়েছেন। এত বড় শোকের পর থেকে জনি কোনো কথা বলছে না। সে বাকরুদ্ধ হয়ে ঝিম মেরে বসে থাকে, মাঝে মাঝে শুধু চারপাশে তাকায়।”

পরিবারের একের পর এক মৃত্যুসংবাদে জনির মা আঞ্জুমানয়ারা অসাড় হয়ে পড়েছেন। আর জীবিত থাকা আরেক ভাই সাদ্দাম ক্ষণে ক্ষণে মূর্ছা যাচ্ছেন।

এদিকে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জনিকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না। চোখের সামনে স্ত্রী, সন্তান, বাবা, ভাই ও বোনকে হারিয়ে অসহায়ের মতো নীরব হয়ে পড়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে নিহতদের একসঙ্গে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে কবরস্থানে পাশাপাশি ৯ জনকে দাফন করা হয়।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025