1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
হামের প্রকোপে বাড়ছে উদ্বেগ: লক্ষণ ও প্রতিকারে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও সতর্কবার্তা - khulnarprotichchobi
২রা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| বসন্তকাল| বৃহস্পতিবার| রাত ৩:০৪|
শিরোনামঃ
ভালোবাসার জয়: স্বামী ড্রাইভার, স্ত্রী হেলপার—একসাথে পথে জীবন সংগ্রাম জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্তের অভিযোগ, রাজপথে থাকার হুঁশিয়ারি ছাত্রশিবির সভাপতির ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ি: লোকজ সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য বাতিঘর মাথায় সামান্য আঘাতও হতে পারে প্রাণঘাতী: ‘সাবডিউরাল হেমাটোমা’ নিয়ে সতর্কবার্তা চোট কাটিয়ে কিউই শিবিরে ফিরল পেস ত্রয়ী: ল্যাথামের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফরে শক্তিশালী নিউজিল্যান্ড ভূ-অভ্যন্তরে লুকিয়ে আছে অকল্পনীয় মহাসমুদ্র: বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর সৃষ্টির ইতিহাস খুলনায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়া পরা আসামি ছিনতাই: এক ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানে পুনরায় গ্রেপ্তার ২ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া: নির্মাণাধীন শলুয়া কম্পোস্ট প্লান্ট পরিদর্শন করলেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু গভীর রাতে সিসি ক্যামেরা ঢেকে তেল সরানোর ধুম: জিরোপয়েন্টে শিকদার ফিলিং স্টেশনে রহস্যময় কাণ্ড মোবাইল প্রেমের করুণ পরিণতি: কুষ্টিয়ায় প্রেমিকার বাড়িতে এসে বিষপানে প্রাণ হারালেন নোয়াখালীর যুবক

হামের প্রকোপে বাড়ছে উদ্বেগ: লক্ষণ ও প্রতিকারে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও সতর্কবার্তা

এস, এম আরাফাত আলী
  • Update Time : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
Spread the love

 

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জেলায় শিশুদের মধ্যে জ্বর ও শরীরে লালচে র‍্যাশের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ভিড় করা এসব শিশুর অনেকের শরীরেই সংক্রামক ব্যাধি হাম শনাক্ত হচ্ছে, যা ইতিমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী রূপ নিয়েছে। মূলত ‘রুবেলা’ নামক এক অতিসংক্রামক ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ানো এই রোগটি শিশুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে ধ্বংস করে দেয়। এর ফলে আক্রান্ত শিশু খুব সহজেই নিউমোনিয়া, মারাত্মক ডায়রিয়া, কানপাকা কিংবা মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতায় ভোগে। বিশেষ করে এই ভাইরাসের আক্রমণে শরীরে ভিটামিন ‘এ’-এর মজুত দ্রুত কমে যাওয়ায় শিশুর চোখ শুষ্ক হয়ে রাতকানা থেকে শুরু করে স্থায়ী অন্ধত্ব পর্যন্ত হতে পারে।

হামের সংক্রমণ প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুত এবং ছোঁয়াচে প্রকৃতির। আক্রান্ত শিশুর হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে এই ভাইরাস মুহূর্তেই সুস্থ শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব তৈরি করে। এই সংকট মোকাবিলায় দেশে প্রচলিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ ‘এমআর’ বা মিজলস রুবেলা টিকা দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৮৮ শতাংশ শিশু এই টিকার আওতায় আসলেও এখনো একটি বড় অংশ টিকাবঞ্চিত রয়ে গেছে। মূলত এই টিকাবঞ্চিত শিশুরাই সংক্রমণের প্রধান ঝুঁকিতে থাকে এবং তাদের মাধ্যমেই রোগটি দ্রুত সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। তবে কিছু ক্ষেত্রে টিকা নেওয়ার পরও শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি না হওয়ায় পুনরায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুর জ্বর ও শরীরে র‍্যাশ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেটিকে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। আক্রান্ত শিশুকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে অন্তত পাঁচ দিন অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা জরুরি। এ সময় শিশুর নিয়মিত খাবার ও পানীয় বজায় রাখার পাশাপাশি চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক এবং বয়সভেদে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো বাধ্যতামূলক। যদি শিশুর মধ্যে শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি, বারবার বমি কিংবা নিস্তেজ হয়ে পড়ার মতো কোনো বিপদচিহ্ন দেখা দেয়, তবে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। বিশেষ করে চোখের মণি ঘোলা হওয়া বা দৃষ্টিশক্তির সমস্যা দেখা দিলে ১৪ দিনের মাথায় তৃতীয় ডোজের ভিটামিন ‘এ’ নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক সময়ে টিকাদান এবং সচেতনতাই পারে শিশুদের এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষা দিতে।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025