1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
খুলনায় বস্তাবন্দি কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার সংক্রান্ত মামলার প্রেস ব্রিফিংয়ে যা জানালেন কেএমপি কমিশনার: - khulnarprotichchobi
২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| রাত ১:১০|
শিরোনামঃ
বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনি হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা মরহুম শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশেষ দোয়া মাহফিল বুধবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গ্রেনেড বাবু’র ৩ সহযোগী গ্রেপ্তার খুলনা রেলস্টেশনে মার্বেল টাইলসের ওপর ঘুমিয়ে থাকা শিশুর ছবি নাড়া দিল হৃদয় খুলনা মহানগর যুবদলের ৩১ ওয়ার্ড কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত খুলনা রেঞ্জে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন সংগীতে বেঁচে থাকবেন শিল্পী আবিদ—স্মরণানুষ্ঠানে বক্তারা খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার খুলনা রূপসা টোলপ্লাজায় ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

খুলনায় বস্তাবন্দি কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার সংক্রান্ত মামলার প্রেস ব্রিফিংয়ে যা জানালেন কেএমপি কমিশনার:

মোঃ আল মাহফুজ শাওন
  • Update Time : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
Spread the love

মো: আল-মাহফুজ শাওন
গত ০৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ২১.০০ ঘটিকর সময় খুলনা সদর থানাধীন প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর রোডে একটি প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অজ্ঞাতনামা কিশোরীর মরদেহ পড়ে আছে মর্মে খুলনা সদর থানা পুলিশ সংবাদ পায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ পরিচয় শনাক্ত ও হত্যার রহস্য উদঘাটনে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করে। পিবিআই, সিআইডিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহায়তায় পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিকটিমের ছবি প্রচার, বেতার বার্তা প্রেরণ এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। অজ্ঞাতনামা ভিকটিমের পরিচয় সনাক্ত করতে না পারায় থানা পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ১০ জুলাই ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ খুলনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্তের ২৪ ঘন্টার ভিতর নিহতের পরিচয় আরফানা হোসেন নির্জনা (১৬) হিসেবে শনাক্ত হয়। তিনি সোনাডাঙ্গা থানাধীন বসুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মোঃ আলিম হোসেন আকাশ ও আরিফা ইয়াসমিন সিমা দম্পতির কন্যা।

পরবর্তীতে খুলনা সদর থানা পুলিশ নিহতের বাসায় গিয়ে তার মা আরিফা ইয়াসমিন সিমা (৩৫)-কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি প্রথমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করেন। পরে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে একপর্যায়ে স্বীকার করেন যে, তার মেয়ে বিভিন্ন ছেলেদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে, যার ফলশ্রুতিতে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। উক্ত পারিবারিক কলহের কারণেই নিজ কন্যা আরফানা হোসেন নির্জনা এই হত্যাকান্ডের শিকার হন। হত্যার পর মরদেহ প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে খুলনা সদর থানাধীন প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর রোডে ফেলে রেখে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন।

ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করতঃ খুলনা সদর থানা পুলিশের একটি আভিযানিক টিম ৩৬ ঘন্টার মধ্যে ১০ জুলাই ২০২৬ তারিখ আরিফা ইয়াসমিন সিমা (৩৫)-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তিনি স্বেচ্ছায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এ ঘটনায় জড়িত অপর আসামি মোঃ আলিম হোসেন আকাশকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

কেএমপি কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা মহোদয়ের দিক নিদের্শনায় ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব মোঃ রেজাউর রহমান এর নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ খালেদ, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক অ্যান্ড প্রটোকল, অতিঃ দায়িত্বে এ্যাডমিন এন্ড ফিন্যান্স), জনাব এম, এম শাকিলুজ্জামান, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর, অতিঃ দায়িত্বে এফএন্ডবি) অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ক্রাইম এন্ড অপস্ (ভারপ্রাপ্ত), জনাব মোঃ রেজাউর রহমান, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ),জনাব অমিত কুমার বর্মন, অতিঃ ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ), জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (খুলনা জোন), জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম অফিসার ইনচার্জ খুলনা থানা এবং খুলনাস্থ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ।

গত ০৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ২১.০০ ঘটিকর সময় খুলনা সদর থানাধীন প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর রোডে একটি প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অজ্ঞাতনামা কিশোরীর মরদেহ পড়ে আছে মর্মে খুলনা সদর থানা পুলিশ সংবাদ পায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ পরিচয় শনাক্ত ও হত্যার রহস্য উদঘাটনে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করে। পিবিআই, সিআইডিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহায়তায় পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিকটিমের ছবি প্রচার, বেতার বার্তা প্রেরণ এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। অজ্ঞাতনামা ভিকটিমের পরিচয় সনাক্ত করতে না পারায় থানা পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ১০ জুলাই ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ খুলনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্তের ২৪ ঘন্টার ভিতর নিহতের পরিচয় আরফানা হোসেন নির্জনা (১৬) হিসেবে শনাক্ত হয়। তিনি সোনাডাঙ্গা থানাধীন বসুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মোঃ আলিম হোসেন আকাশ ও আরিফা ইয়াসমিন সিমা দম্পতির কন্যা।

পরবর্তীতে খুলনা সদর থানা পুলিশ নিহতের বাসায় গিয়ে তার মা আরিফা ইয়াসমিন সিমা (৩৫)-কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি প্রথমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করেন। পরে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে একপর্যায়ে স্বীকার করেন যে, তার মেয়ে বিভিন্ন ছেলেদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে, যার ফলশ্রুতিতে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। উক্ত পারিবারিক কলহের কারণেই নিজ কন্যা আরফানা হোসেন নির্জনা এই হত্যাকান্ডের শিকার হন। হত্যার পর মরদেহ প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে খুলনা সদর থানাধীন প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর রোডে ফেলে রেখে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন।

ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করতঃ খুলনা সদর থানা পুলিশের একটি আভিযানিক টিম ৩৬ ঘন্টার মধ্যে ১০ জুলাই ২০২৬ তারিখ আরিফা ইয়াসমিন সিমা (৩৫)-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তিনি স্বেচ্ছায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এ ঘটনায় জড়িত অপর আসামি মোঃ আলিম হোসেন আকাশকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

কেএমপি কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা মহোদয়ের দিক নিদের্শনায় ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব মোঃ রেজাউর রহমান এর নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ খালেদ, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক অ্যান্ড প্রটোকল, অতিঃ দায়িত্বে এ্যাডমিন এন্ড ফিন্যান্স), জনাব এম, এম শাকিলুজ্জামান, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর, অতিঃ দায়িত্বে এফএন্ডবি) অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ক্রাইম এন্ড অপস্ (ভারপ্রাপ্ত), জনাব মোঃ রেজাউর রহমান, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ),জনাব অমিত কুমার বর্মন, অতিঃ ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ), জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (খুলনা জোন), জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম অফিসার ইনচার্জ খুলনা থানা এবং খুলনাস্থ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025