
খুলনার ভৈরব নদীতে ট্রলার ও ফেরির সংঘর্ষের আট দিন পর নিখোঁজ যাত্রী রাকিব খানের (২৮) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন খুলনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ হুরে জান্নাত।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাকিবের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় তিনি নিহতের মায়ের সঙ্গে কথা বলেন, পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং সমবেদনা জানান। পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন।
এ সময় দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন দাশ গুপ্ত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদসহ জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১ সেপ্টেম্বর খুলনার জেলখানা ঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী ট্রলার ও রূপসা ফেরির সংঘর্ষে ট্রলারটি নদীতে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর বেশ কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও রাকিব খান নিখোঁজ ছিলেন। দুর্ঘটনার পর থেকেই তাঁর সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছিল।
অবশেষে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বটিয়াঘাটা উপজেলার ভান্ডারকোট ইউনিয়নের শিয়ালীডাঙ্গা এলাকা সংলগ্ন পশুর নদীর পূর্বপাড় থেকে ভাসমান অবস্থায় রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে রূপসা নৌ পুলিশ।
রাকিব খান খুলনার রূপসা উপজেলার সেনের বাজার এলাকার হাজীগ্রামের মৃত বাকের খানের ছেলে। তিনি নৃত্যশিল্পী ও মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন, বন্ধু ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তথ্য ও ছবি : জেলা প্রশাসক কার্যালয় খুলনা।