1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল চালু হয়নি এক বছরেও - khulnarprotichchobi
২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| মঙ্গলবার| সকাল ৬:২৭|
শিরোনামঃ
আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে সোনাডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ,নগর প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার আপন শহরে সমাধির জন্য দুই গজ মাটিও জুটল না মুঘল শেষ সম্রাট জাফরের সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলায় বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৩৪ পদে নিয়োগ আজ থেকে নতুন দামে জ্বালানি তেল, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা। দিঘলিয়ায় বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গভীর রাতে যুবকের মৃত্যু, শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে রহস্য। চিত্রার তীরে ধ্বংসস্তূপে ঢাকা নড়াইলের আড়াইশ বছরের হাটবাড়িয়া জমিদার বাড়ি কালের গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে কিয়ন্তি স্মৃতি: নড়াইলে নিহার রঞ্জন গুপ্তের পৈতৃক নিবাসের বর্তমান হালচাল খুলনার ‘হোয়াইট হাউস’: বিদ্যুৎ ও নারী শিক্ষার আলোকবর্তিকা ঘোষ জমিদার বাড়ির ইতিহাস

খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল চালু হয়নি এক বছরেও

শুভ্র শচীন
  • Update Time : শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫
Spread the love

খুলনা │ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য নির্মিত ২০০ শয্যার খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল এক বছর পার হলেও চালু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও গণপূর্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে হাসপাতাল ভবনটি এখনো অব্যবহৃত পড়ে আছে।

২০১৭ সালে অনুমোদন পাওয়া এ প্রকল্পের প্রথম ধাপে পঞ্চম তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ১১৪ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের জুনে নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ভবনটি গ্রহণ করেনি। গণপূর্ত বিভাগের দাবি—তারা ভবন হস্তান্তরের জন্য তিন দফা চিঠি পাঠিয়েছে, কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে—প্রাচীর ও প্রধান ফটক নির্মাণ না হওয়ায় হাসপাতাল এলাকা অরক্ষিত; তাছাড়া আসবাবপত্র ও জনবলও এখনো বরাদ্দ হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খুলনা বিভাগে শিশুদের জন্য এটি একমাত্র সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠানটি চালু হলে ১০ জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠী তুলনামূলক কম খরচে উন্নত চিকিৎসা পাবে।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. মুজিবুর রহমান বলেন, “হাসপাতালটি চালু হলে শিশুস্বাস্থ্যের মান বাড়বে এবং অন্য হাসপাতালগুলোর চাপও কমবে।”
খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান জানান, “গণপূর্ত ও স্বাস্থ্য বিভাগের জটিলতা দ্রুত সমাধান করে হাসপাতালটি চালু করা জরুরি।”

গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাসান বলেন, “প্রথম ধাপের কাজ শেষ করে আমরা তিনবার চিঠি দিয়েছি। এখন নতুন প্রকল্পে ছয় থেকে দশতলা সম্প্রসারণ ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদনের অপেক্ষায়।”

সরেজমিনে দেখা গেছে, সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাসপাতাল ভবনটির সৌন্দর্য থাকলেও দক্ষিণাংশে সীমানাপ্রাচীর ও গেট না থাকায় এলাকা অরক্ষিত। মাঠে স্থানীয় তরুণরা খেলাধুলা করছে, গরু-ছাগল অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025