
এন্টিবায়োটিকের অযাচিত ও নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহারের ফলে বিশ্বজুড়ে যে ভয়াবহ প্রতিরোধ ক্ষমতা (AMR) তৈরি হচ্ছে—তা প্রতিরোধে সচেতনতা ছড়াতে গাজী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের উদ্যোগে আজ উদযাপিত হলো “বিশ্ব এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা ২০২৫”।
আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল একটি বর্ণাঢ্য র্যালি এবং গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতামূলক সেমিনার। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কি-নোট স্পিকার ডা. মো. জাবের।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন—বাংলাদেশে এন্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত বিক্রি, কোয়াক ও অদক্ষ চিকিৎসকের দ্বারা প্রেসক্রিপশনবিহীন ওষুধ দেওয়া, সর্দি–কাশির মতো ভাইরাল রোগেও এন্টিবায়োটিক সেবনসহ নানা কারণে জীবাণুগুলো ক্রমে আরো শক্তিশালী হয়ে উঠছে।
এছাড়াও মুরগি, গরু, মাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে সেগুলো খাবারের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে—যা AMR পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করছে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন গাজী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. আব্দুল মান্নান।অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন, ডা. শেখ মো. আমজাদ হোসেন, পরিচালক, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, প্রধান, ইনফেকশন প্রিভেনশন এন্ড কন্ট্রোল, প্রফেসর ডা. নূরসেরাত আহমেদ, বিভাগীয় প্রধান, মাইক্রোবায়োলজি, ডা. অভিজিৎ মন্ডল, অধ্যাপক, মাইক্রোবায়োলজি, ডা. (সহকারী অধ্যাপক) এনেস্থেসিয়া বিভাগ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা অঙ্গীকার করেন—অ্যান্টিবায়োটিক যেন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহৃত না হয় এবং জনসচেতনতা বাড়াতে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করবেন।