1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
পিসার হেলানো টাওয়ার: একটি স্থাপত্যের অনন্য ইতিহাস ও বিজ্ঞানের রহস্য - khulnarprotichchobi
২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| বিকাল ৫:১৬|
শিরোনামঃ
দিঘলিয়ায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক জখম, এলাকায় উত্তেজনা খুলনায় ৯৩ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা: কাল থেকেই শুরু হচ্ছে মহাপ্রচারাভিযান পুলিশ প্রশাসনে রদবদল: অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তার নতুন পদায়ন কুড়িগ্রামে র‍্যাবের সাড়াঁশি অভিযান: বসতবাড়ির খাটের নিচ থেকে ৭৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কারবারি গ্রেপ্তার তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি: সংঘাত এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি, রণক্ষেত্র এড়াতে সতর্ক পুলিশ ভোলায় কোস্ট গার্ডের সাড়াঁশি অভিযান: সোয়া লাখ টাকার নকল সিগারেট জব্দ, রাজস্ব ফাঁকির ছক নস্যাৎ হামমুক্ত খুলনার দাবিতে উত্তাল সিভিল সার্জন কার্যালয়: আগামী বৃহস্পতিবার ডিসি অফিস ঘেরাওয়ের ডাক টেলিগ্রামে বন্ধুত্বের আড়ালে ভয়ংকর ফাঁদ: মাওয়া ঘাটে ইলিশ খাওয়ার প্রলোভনে সর্বস্ব হারালেন যুবক রূপসা সেতুতে গতকালকের ত্রিমুখী সংঘর্ষ: অল্পের জন্য বড় রক্ষা, যানজটে নাকাল ছিল যাত্রীরা বেজপাড়ায় ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: ৮০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত ‘ববি’ গ্রেপ্তার

পিসার হেলানো টাওয়ার: একটি স্থাপত্যের অনন্য ইতিহাস ও বিজ্ঞানের রহস্য

মাসুদ রানা
  • Update Time : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
Spread the love

 

ইতালির প্রাচীন ও গৌরবময় নগরী পিসায় অবস্থিত হেলানো টাওয়ারটি পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর স্থাপত্য হিসেবে পরিচিত। মূলত রোমান ক্যাথলিক ঘণ্টা স্থাপনের উদ্দেশ্যে ১১৭৩ সালে এই টাওয়ারটির নির্মাণ শুরু হয়। রোম্যানিকিউ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই শ্বেত মার্বেলের মিনারটি প্রকৃতপক্ষে একটি ভুলের ফসল ছিল, যা সময়ের সাথে সাথে এক অনন্য বিস্ময়ে পরিণত হয়।

নির্মাণের শুরুতেই টাওয়ারটি হেলতে শুরু করে, যার কারণ ছিল নীচের নরম মাটি ও অগভীর ভিত। যুদ্ধের কারণে প্রায় এক শতাব্দী ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকে। এই সময়ে টাওয়ারটি মাটিতে ভালোভাবে গেঁথে যায় এবং ধীরে ধীরে নির্মাণ সম্পন্ন হয় ১৩৭২ সালে। তবে হেলে পড়া বন্ধ হয়নি এবং ১৯৯০ সালের দিকে টাওয়ারটি ১৫ ফুট পর্যন্ত হেলে পড়ে। এতে পর্যটকদের জন্য স্থাপনাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞানীদের বহু চেষ্টার পর ১৯৯৮ সালে একটি সমাধান পাওয়া যায়। ২০০১ সালে প্রকৌশলীরা টাওয়ারের নিচের আলগা মাটি সরিয়ে নেন এবং হেলে পড়ার উল্টো দিকে ভারী বস্তু চাপিয়ে দেন। এতে টাওয়ারটির হেলে পড়া বন্ধ হয় এবং এটি স্থিতিশীল হয়ে ওঠে। ২০০৮ সালে ইঞ্জিনিয়াররা ঘোষণা দেন যে, টাওয়ারটি পরবর্তী ২০০ বছরের জন্য নিরাপদ।

পিসার হেলানো টাওয়ারটি বিখ্যাত বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলেইয়ের সাথে যুক্ত একটি বিখ্যাত কাহিনীর কেন্দ্রবিন্দু। ধারণা করা হয়, গ্যালিলিও এই টাওয়ার থেকে ভিন্ন ভরের বস্তুর পতন পরীক্ষা করেছিলেন। তবে এর কোনো বিশ্বস্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং এই কাহিনীটি গ্যালিলিওর এক ছাত্র ভিনসেনজিও ভিভিয়ানি তার গুরুর জীবনীতে লিখেছিলেন।

প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক এই অনন্য স্থাপনার নয়নাভিরাম সৌন্দর্য দেখার জন্য পিসায় আসেন। ১৮৩ ফুট উচ্চতার এই টাওয়ারটি তার হেলানো অবস্থার কারণেই আজও পৃথিবীর এক অনন্য বিস্ময় হিসেবে পরিচিত।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025