1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
পিসার হেলানো টাওয়ার: একটি স্থাপত্যের অনন্য ইতিহাস ও বিজ্ঞানের রহস্য - khulnarprotichchobi
২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| রাত ১:১৭|
শিরোনামঃ
বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনি হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা মরহুম শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশেষ দোয়া মাহফিল বুধবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গ্রেনেড বাবু’র ৩ সহযোগী গ্রেপ্তার খুলনা রেলস্টেশনে মার্বেল টাইলসের ওপর ঘুমিয়ে থাকা শিশুর ছবি নাড়া দিল হৃদয় খুলনা মহানগর যুবদলের ৩১ ওয়ার্ড কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত খুলনা রেঞ্জে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন সংগীতে বেঁচে থাকবেন শিল্পী আবিদ—স্মরণানুষ্ঠানে বক্তারা খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার খুলনা রূপসা টোলপ্লাজায় ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

পিসার হেলানো টাওয়ার: একটি স্থাপত্যের অনন্য ইতিহাস ও বিজ্ঞানের রহস্য

মাসুদ রানা
  • Update Time : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
Spread the love

 

ইতালির প্রাচীন ও গৌরবময় নগরী পিসায় অবস্থিত হেলানো টাওয়ারটি পৃথিবীর অন্যতম বিস্ময়কর স্থাপত্য হিসেবে পরিচিত। মূলত রোমান ক্যাথলিক ঘণ্টা স্থাপনের উদ্দেশ্যে ১১৭৩ সালে এই টাওয়ারটির নির্মাণ শুরু হয়। রোম্যানিকিউ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই শ্বেত মার্বেলের মিনারটি প্রকৃতপক্ষে একটি ভুলের ফসল ছিল, যা সময়ের সাথে সাথে এক অনন্য বিস্ময়ে পরিণত হয়।

নির্মাণের শুরুতেই টাওয়ারটি হেলতে শুরু করে, যার কারণ ছিল নীচের নরম মাটি ও অগভীর ভিত। যুদ্ধের কারণে প্রায় এক শতাব্দী ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকে। এই সময়ে টাওয়ারটি মাটিতে ভালোভাবে গেঁথে যায় এবং ধীরে ধীরে নির্মাণ সম্পন্ন হয় ১৩৭২ সালে। তবে হেলে পড়া বন্ধ হয়নি এবং ১৯৯০ সালের দিকে টাওয়ারটি ১৫ ফুট পর্যন্ত হেলে পড়ে। এতে পর্যটকদের জন্য স্থাপনাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞানীদের বহু চেষ্টার পর ১৯৯৮ সালে একটি সমাধান পাওয়া যায়। ২০০১ সালে প্রকৌশলীরা টাওয়ারের নিচের আলগা মাটি সরিয়ে নেন এবং হেলে পড়ার উল্টো দিকে ভারী বস্তু চাপিয়ে দেন। এতে টাওয়ারটির হেলে পড়া বন্ধ হয় এবং এটি স্থিতিশীল হয়ে ওঠে। ২০০৮ সালে ইঞ্জিনিয়াররা ঘোষণা দেন যে, টাওয়ারটি পরবর্তী ২০০ বছরের জন্য নিরাপদ।

পিসার হেলানো টাওয়ারটি বিখ্যাত বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলেইয়ের সাথে যুক্ত একটি বিখ্যাত কাহিনীর কেন্দ্রবিন্দু। ধারণা করা হয়, গ্যালিলিও এই টাওয়ার থেকে ভিন্ন ভরের বস্তুর পতন পরীক্ষা করেছিলেন। তবে এর কোনো বিশ্বস্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং এই কাহিনীটি গ্যালিলিওর এক ছাত্র ভিনসেনজিও ভিভিয়ানি তার গুরুর জীবনীতে লিখেছিলেন।

প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক এই অনন্য স্থাপনার নয়নাভিরাম সৌন্দর্য দেখার জন্য পিসায় আসেন। ১৮৩ ফুট উচ্চতার এই টাওয়ারটি তার হেলানো অবস্থার কারণেই আজও পৃথিবীর এক অনন্য বিস্ময় হিসেবে পরিচিত।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025