1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
গর্ভাবস্থায় আলট্রাসনোগ্রাম: প্রতিটি পর্বে কী পরীক্ষা করা হয় তা জানুন - khulnarprotichchobi
৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শুক্রবার| রাত ৩:৪২|
শিরোনামঃ
ডুমুরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে যাত্রীবাহী বাস, পথচারী নারী গুরুতর আহত খুলনায় লেক থেকে কিশোরের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার নিরালার ভাড়া বাসায় গৃহবধূর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ বড় বোন হারিয়ে হাসতে ভুলে যাওয়া তাহসিনের মুখে আবারও হাসি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ লবণচরায় কেএমপির নিজস্ব থানা উদ্বোধন জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন উপলক্ষে গ্রাফিতি প্রতিযোগিতা অনু‌ষ্ঠিত বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনির সুস্থতার কামনা বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনি হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা মরহুম শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশেষ দোয়া মাহফিল বুধবার

গর্ভাবস্থায় আলট্রাসনোগ্রাম: প্রতিটি পর্বে কী পরীক্ষা করা হয় তা জানুন

এস, এম আরাফাত আলী
  • Update Time : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
Spread the love

 

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম একটি বিপ্লব হলো গর্ভাবস্থায় আলট্রাসনোগ্রাম (ইউএসজি) পরীক্ষা। এর মাধ্যমে শুধু গর্ভের স্বাভাবিক অবস্থা পর্যবেক্ষণই নয়, বরং ভ্রূণের স্বাস্থ্য, বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য কোনো জটিলতা সম্পর্কে আগে থেকেই সচেতন হওয়া যায়। সাধারণত, গর্ভকালীন যাত্রাকে তিনটি ত্রৈমাসিকে ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি পর্বে নির্দিষ্ট পরীক্ষার মাধ্যমে মায়ের ও শিশুর স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা হয়।

গর্ভাবস্থার প্রথম পর্যায়ে, প্রায় চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ পর প্রথম আলট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে গর্ভথলির সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা হয়। এর মাধ্যমে জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণের (ইকটোপিক প্রেগন্যান্সি) ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এর পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে, প্রায় ছয় থেকে আট সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় পরীক্ষায় ভ্রূণের হৃদস্পন্দন নিরীক্ষণ করা হয়। এই পর্বে গর্ভের সঠিক সপ্তাহ এবং একাধিক গর্ভধারণের সম্ভাবনা নির্ধারণের জন্যও এই পরীক্ষা অপরিহার্য।

গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হলো এনটি স্ক্যান (Nuchal Translucency Scan)। এটি প্রায় এগারো থেকে চৌদ্দ সপ্তাহের মধ্যে করা হয় এবং এর মাধ্যমে ভ্রূণের ঘাড়ের পেছনে তরলের পরিমাণ পরিমাপ করা হয়। এই পরিমাপ করে শিশুর কিছু বিশেষ জন্মগত বিকার, যেমন ডাউন সিনড্রোমের ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হয়। এছাড়াও, ভ্রূণের প্রাথমিক অঙ্গগুলোর গঠন সঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়।

গর্ভাবস্থার তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হলো অ্যানোমালি স্ক্যান (Anomaly Scan)। এটি প্রায় আঠারো থেকে বাইশ সপ্তাহের মধ্যে করা হয়। এই পরীক্ষাটি গর্ভের সম্পূর্ণ শরীরের একটি বিস্তারিত স্ক্যান হিসেবে বিবেচিত হয়। এতে শিশুর হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি, হাত-পা এবং অন্যান্য মূল অঙ্গগুলোর সঠিক গঠন ও কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়। এছাড়াও, প্লাসেন্টার অবস্থান এবং গর্ভের পানির পরিমাণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।

গর্ভাবস্থার শেষের দিকে, প্রায় বত্রিশ থেকে ছত্রিশ সপ্তাহের মধ্যে চতুর্থ আলট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষা করা হয়, যা চিকিৎসকের পরামর্শে করা হয়। এই পরীক্ষায় শিশুর বৃদ্ধির হার পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং তার পজিশন যাচাই করা হয় যে সে কি সঠিকভাবে মাথা নিচে করে আছে কি না। এছাড়াও, প্লাসেন্টার অবস্থান এবং গর্ভের পানির পরিমাণ কম বা বেশি কিনা তা নির্ধারণ করা হয়।

এই পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে গর্ভাবস্থার প্রতিটি পর্বে মায়ের ও শিশুর স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়। এর ফলে কোনো সম্ভাব্য ঝুঁকি বা জটিলতা আগে থেকেই শনাক্ত করে সঠিক চিকিৎসা ও পরিচর্যা দেওয়া সম্ভব হয়, যা মায়ের ও শিশুর জন্য সুরক্ষিত ও সুখকর গর্ভাবস্থা ও প্রসবের জন্য অপরিহার্য।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025