1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
টেক্সটাইল খাতে চরম বিপর্যয়: ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে সব মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা - khulnarprotichchobi
২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বুধবার| দুপুর ১:১০|
শিরোনামঃ
খুলনায় আজমুল হত্যা মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে সোনাডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ,নগর প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার আপন শহরে সমাধির জন্য দুই গজ মাটিও জুটল না মুঘল শেষ সম্রাট জাফরের সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলায় বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৩৪ পদে নিয়োগ আজ থেকে নতুন দামে জ্বালানি তেল, লিটারে বাড়ল ২০ টাকা। দিঘলিয়ায় বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পর্দা উঠল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গভীর রাতে যুবকের মৃত্যু, শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে রহস্য। চিত্রার তীরে ধ্বংসস্তূপে ঢাকা নড়াইলের আড়াইশ বছরের হাটবাড়িয়া জমিদার বাড়ি কালের গর্ভে বিলীন হওয়ার পথে কিয়ন্তি স্মৃতি: নড়াইলে নিহার রঞ্জন গুপ্তের পৈতৃক নিবাসের বর্তমান হালচাল

টেক্সটাইল খাতে চরম বিপর্যয়: ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে সব মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা

নিজেস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
Spread the love

 

দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি টেক্সটাইল শিল্পে নেমে এসেছে চরম সংকট। সুতা উৎপাদনকারী মিলগুলো রক্ষায় সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার প্রতিবাদে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের সব টেক্সটাইল মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মিলগুলো সচল রাখা মালিকদের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না এবং দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার কারণেই তারা এমন আত্মঘাতী পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের টেক্সটাইল মিলমালিকদের বর্তমান শোচনীয় আর্থিক পরিস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে। বিটিএমএ সভাপতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, বিদ্যমান সংকটে অনেক মিলের পুঁজি অর্ধেকেরও বেশি কমে গেছে। ক্রমাগত লোকসানের কারণে মিলগুলো এখন ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করার সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে ফেলেছে। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, উদ্যোক্তাদের ব্যক্তিগত সব সম্পত্তি বিক্রি করলেও ব্যাংকের দায়দেনা পরিশোধ করা সম্ভব হবে না। ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ এবং ব্যবসার মূলধন সংকটে দেশের এই শিল্প খাত এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে।

বিটিএমএ-র পক্ষ থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর অসহযোগিতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, সংকট নিরসনের আশায় তারা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বারবার ধরণা দিয়েছেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বড় বড় কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কেবল দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে, যাকে তিনি ‘পিলো পাসিং’ বা একে অন্যের ওপর দায় চাপানোর সংস্কৃতির সঙ্গে তুলনা করেছেন। দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো বিভাগ থেকেই বাস্তবসম্মত বা নীতিগত কোনো সমাধানের আশ্বাস পাওয়া যায়নি, যা উদ্যোক্তাদের চরম হতাশায় নিমজ্জিত করেছে।

দেশের এই বৃহত্তম কর্মসংস্থান ও রফতানি সংশ্লিষ্ট খাতটি রক্ষায় এখনই দ্রুত নীতিগত সহায়তা ও শিল্পবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতারা। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সময়মতো কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পুরো টেক্সটাইল খাত অচল হয়ে পড়বে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর। সংবাদ সম্মেলনে বিটিএমএ-র শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং তারা দেশ ও শিল্পের স্বার্থে সরকারের সর্বোচ্চ মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025