
বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের হারানো অধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর খালিশপুরস্থ আইডিইবি (IDEB) ভবনে মাগুরা জেলা কল্যাণ সমিতি আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বকুল তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে দেশনেত্রীর অভাব প্রতিটি পদক্ষেপে অনুভূত হচ্ছে। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং তিনি এদেশের গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন। জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে তাঁর দেখানো আদর্শ ও পথকেই একমাত্র পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দেশ ও মানুষের কল্যাণে খালেদা জিয়ার যে ত্যাগ, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মাগুরা জেলা কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল হাই মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মো. জিয়াউর রহমান, খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সেখ সাদী এবং সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. জিনারুল ইসলাম। বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অনুষ্ঠানে পেশাজীবী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের এক বিশাল সমাগম ঘটে। উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী মুরর্শেদ আলম, সাংবাদিক অমিয় কান্তি পাল, প্রকৌশলী মো. আকরাম হোসাইন, প্রকৌশলী ফরিদ আহমেদ, মো. ফসিয়ার রহমান, মো. মাহবুবউল্লা শামীম, মো. জাকির হোসেন এবং অধ্যাপক সন্তোষ দাস। এছাড়াও প্রকৌশলী গৌতম মজুমদার, প্রকৌশলী মো. আফিকুল ইসলাম, সোহরাব হোসেন, প্রকৌশলী হাসনাতুজ্জামান, মো. সেমিনুর রহমান, খন্দকার মোসাব্বির হোসেন, আব্দুল আলিম খান, মো. আরিফুজ্জামান, মুন্সি নাসিরুল ইসলাম, মো. আলমগীর হোসেন, মো. শহীদুল ইসলাম, নাসরীন আক্তার, ওয়াহিদুজ্জামান সোহাগ ও প্রকৌশলী মো. মুন্সি নাঈম হোসেনসহ আরও অনেকে অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষক ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক মো. ইমন হোসেন, মাস্টার খবির হোসেন, শিক্ষক মশিউর রহমান, মো. মোস্তফা মোল্লা, মো. রাসেদুল ইসলাম লিটন, মো. মোশাররফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা মোল্লা আতিয়ার রহমান, অধ্যক্ষ ইমরুল কায়েস, ডাঃ শঙ্কর কুমার সাহা এবং কবি উজির আলী। স্থানীয় থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও এই স্মরণ সভায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। আলোচনা পর্ব শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদাউস কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা নূহু মিয়া। মোনাজাতে দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।