
খুলনা–৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ আরিফুজ্জামান মিঠু বলেছেন, ২৪-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে ভোটাধিকার প্রয়োগের আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে যুব সমাজ রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যা আগামী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকা খুলনা–৩-এর সাধারণ জনগণ আমাকে ভালোবাসে এবং আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী যে তারা আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।”
নির্বাচিত হলে এলাকার বন্ধ মিল ও কারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে উল্লেখ করে আরিফুজ্জামান মিঠু বলেন, এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং শিল্পাঞ্চলের হারানো প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় ও সামগ্রিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
নির্বাচনী প্রচারণা প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল তাঁর সমর্থনে টাঙানো ব্যানার ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছে। তবে এসব প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি শতভাগ আশাবাদী বলে জানান।
আরিফুজ্জামান মিঠু বলেন, “আমি বিজয়ী হলে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মন্দিরসহ শিল্পনগরী এলাকায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব এবং মানুষের কল্যাণে নিজেকে পুরোপুরি নিয়োজিত রাখব।”
এ সময় তিনি তাঁর বাবা মরহুম শহীদ এস এম এ রব-এর স্মৃতিচারণ করে বলেন, “খালিশপুর শিল্পনগরীর শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা বলতে গিয়েই আমার বাবা সন্ত্রাসীদের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হন। তিনি ছিলেন জনগণের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ। তাঁর আদর্শ ও ত্যাগ থেকেই আমি রাজনীতিতে অনুপ্রাণিত।”
স্থানীয় সমর্থকরাও তরুণ এই প্রার্থীর পক্ষে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। মোহাম্মদ মিলন বলেন, “মিঠু একজন সাদাসিধে ও মানুষের পাশে থাকা নেতা। আমরা এবার তাকে বিজয়ী করব।”
আসমা আক্তার বলেন, “পাঁচই আগস্টের আগের প্রতিটি আন্দোলনে তরুণ নেতৃত্ব আমাদের পথ দেখিয়েছে। ইনশাল্লাহ, এবার সেই তরুণ প্রার্থীই জয়ী হবে।”
এদিকে আব্দুল হাদী বলেন, “এবার আমরা পরিবর্তন চাই। তাই আরিফুজ্জামান মিঠুর বিজয় নিশ্চিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ।”
খুলনা–৩ আসনে তরুণ ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কথা জানিয়ে আরিফুজ্জামান মিঠু বলেন, তরুণ প্রজন্মের সমর্থনই তাঁর বিজয়ের প্রধান শক্তি হবে।