
বাগেরহাটের হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজার-সংলগ্ন দিঘিতে একটি কুকুরকে কুমিরের টেনে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার এ কমিটি গঠন করা হয়।
এদিকে, মাটিচাপা দেওয়া কুকুরটির মৃতদেহ তুলে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
গত ৮ এপ্রিল মাজারের দিঘিতে কুমিরের কুকুরটিকে টেনে নেওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, কুকুরটিকে পা বেঁধে কুমিরকে খাওয়ানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন মাজারের খাদেমরা।
মাজারের খাদেম, নিরাপত্তাপ্রহরী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন একটি অসুস্থ কুকুর দিঘির আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল এবং কয়েকজনকে কামড় দেয়। পরে লোকজন সেটিকে তাড়াতে গেলে কুকুরটি দৌড়ে ঘাট এলাকায় চলে আসে। এ সময় এক নিরাপত্তাপ্রহরীর সংস্পর্শে গিয়ে কুকুরটি পানিতে পড়ে যায়। তখন একটি কুমির সেটিকে ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়।
প্রায় আধা ঘণ্টা পর কুকুরটি মৃত অবস্থায় দিঘির অন্য পাশে ভেসে ওঠে। পরে সেটি উদ্ধার করে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুন-এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এবং সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।