1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
খুলনায় ভোজ্য তেলের বাজারে অস্থিরতা, কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ - khulnarprotichchobi
১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বৃহস্পতিবার| রাত ৮:৫৬|
শিরোনামঃ
বিশ্ব যোগাসনে খুলনার কৃতি সন্তান মামুনের অনন্য সাফল্য খুলনায় ৯ বছরের শিশু রায়হান সিনহা নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি রূপসার নৈহাটিসহ বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ বিস্তার, উদ্বেগে সাধারণ মানুষ ডিবি পরিদর্শক তৈমুর ইসলামকে কেএমপি থেকে বদলি জলাবদ্ধতায় নাকাল খুলনা পিটিআই, দুর্ভোগে শিক্ষক-প্রশিক্ষণার্থীরা শিশু রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল ও স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে দিঘলিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। তীব্র তাপপ্রবাহে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: হিট স্ট্রোক নাকি হার্ট অ্যাটাক, জীবন বাঁচাতে লক্ষণ চেনার উপায় ঘরে বসে আয়ের ফাঁদ: ফ্রিল্যান্সিংয়ের নামে সর্বস্বান্ত হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম, নেপথ্যে সক্রিয় শক্তিশালী সাইবার চক্র হাতের স্মার্টফোনই এখন প্রথম অফিস: ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিংয়ে বদলে যাচ্ছে তরুণদের ভাগ্য

খুলনায় ভোজ্য তেলের বাজারে অস্থিরতা, কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
Spread the love

 

পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর থেকে খুলনায় ভোজ্য তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে। এতে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট তীব্র হয়েছে এবং খোলা তেলের দামও বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করছেন, রূপচাঁদা, ফ্রেশ, বসুন্ধরা এবং তীর—এই চারটি কোম্পানির একটি সিন্ডিকেট সরবরাহ কমিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
বর্তমানে খুলনার বড় বাজারে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি কেজি ২০৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিন ২০৫ টাকা, ২ লিটার ৪০৫ টাকা, ৩ লিটার ৬১০ টাকা এবং ৫ লিটার ৯৫৫ থেকে ৯৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ ঈদের আগে এসব পণ্যের দাম তুলনামূলক কম ছিল।
বড় বাজারের মা মনষা ভান্ডারের ব্যবসায়ী মৃন্ময় বণিক বলেন, “ঈদের পর থেকে তীর কোম্পানি চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সরবরাহ দিচ্ছে। অগ্রিম টাকা নেওয়ার পরও পণ্য আটকে রাখা হচ্ছে।”
একই বাজারের বসুন্ধরা কোম্পানির পরিবেশক প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা জানান, বোতলজাত তেল বাজারে না থাকায় দাম বাড়ছে। ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজের মালিক শাহ আলম মৃধা বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবও বাজারে পড়ছে।
খুচরা ব্যবসায়ীরাও অভিযোগ করেছেন, তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে তাদের বাড়তি পণ্য যেমন ময়দা বা সুজি কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।
তবে তীর কোম্পানির নির্বাহী সেলস অফিসার তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, “সারাদেশেই বোতলজাত তেলের সংকট রয়েছে।” তিনি আরও জানান, প্রতি লিটার বোতলজাত তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা। কলেজ শিক্ষক সজীব ভুঁইয়া বলেন, “ব্যয় বাড়ছে, কিন্তু আয় বাড়ছে না। এভাবে চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।” গৃহিণী হেয়া আক্তার ভোক্তা অধিকার সংস্থার কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত বাজার তদারকি জোরদার না করলে ভোক্তাদের ভোগান্তি আরও বাড়বে।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025