1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
শিশু রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল ও স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। - khulnarprotichchobi
১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বৃহস্পতিবার| সন্ধ্যা ৬:৩৫|
শিরোনামঃ
বিশ্ব যোগাসনে খুলনার কৃতি সন্তান মামুনের অনন্য সাফল্য খুলনায় ৯ বছরের শিশু রায়হান সিনহা নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি রূপসার নৈহাটিসহ বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ বিস্তার, উদ্বেগে সাধারণ মানুষ ডিবি পরিদর্শক তৈমুর ইসলামকে কেএমপি থেকে বদলি জলাবদ্ধতায় নাকাল খুলনা পিটিআই, দুর্ভোগে শিক্ষক-প্রশিক্ষণার্থীরা শিশু রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল ও স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে দিঘলিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। তীব্র তাপপ্রবাহে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: হিট স্ট্রোক নাকি হার্ট অ্যাটাক, জীবন বাঁচাতে লক্ষণ চেনার উপায় ঘরে বসে আয়ের ফাঁদ: ফ্রিল্যান্সিংয়ের নামে সর্বস্বান্ত হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম, নেপথ্যে সক্রিয় শক্তিশালী সাইবার চক্র হাতের স্মার্টফোনই এখন প্রথম অফিস: ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিংয়ে বদলে যাচ্ছে তরুণদের ভাগ্য

শিশু রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল ও স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত।

পরশমনি জ্যোতি
  • Update Time : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
Spread the love

পরশমনি জ্যোতি

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার চার মিনিট পর, বেলা ১১টা ৪১ মিনিটে আদালতের কার্যক্রম শেষ হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ফ্ল্যাটটির বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার তদন্ত শেষে মাত্র পাঁচ দিনের মাথায়, গত ২৪ মে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি বিচারের জন্য শিশু ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। তবে ঈদুল আজহার ছুটি শুরু হওয়ায় ১ জুন চার্জগঠনের দিন নির্ধারণ করা হয়।
ঈদের ছুটি শেষে ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। পরদিন ২ জুন মামলার ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে রামিসার বাবা, মা, বোন ও স্বজনসহ ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরপর ৩ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন এবং ৪ জুন মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।
দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শেষে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025