1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল চালু হয়নি এক বছরেও - khulnarprotichchobi
২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| রাত ১০:১৬|
শিরোনামঃ
যশোর বোর্ডে এসএসসি শুরু মঙ্গলবার, খুলনায় প্রস্তুতি সম্পন্ন খুলনায় একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে জখম, আটক ১ খুলনায় বৈধতার দাবিতে মিশুক চালকদের মানববন্ধন দিঘলিয়ায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবক জখম, এলাকায় উত্তেজনা খুলনায় ৯৩ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা: কাল থেকেই শুরু হচ্ছে মহাপ্রচারাভিযান পুলিশ প্রশাসনে রদবদল: অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তার নতুন পদায়ন কুড়িগ্রামে র‍্যাবের সাড়াঁশি অভিযান: বসতবাড়ির খাটের নিচ থেকে ৭৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কারবারি গ্রেপ্তার তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি: সংঘাত এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি, রণক্ষেত্র এড়াতে সতর্ক পুলিশ ভোলায় কোস্ট গার্ডের সাড়াঁশি অভিযান: সোয়া লাখ টাকার নকল সিগারেট জব্দ, রাজস্ব ফাঁকির ছক নস্যাৎ হামমুক্ত খুলনার দাবিতে উত্তাল সিভিল সার্জন কার্যালয়: আগামী বৃহস্পতিবার ডিসি অফিস ঘেরাওয়ের ডাক

খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল চালু হয়নি এক বছরেও

শুভ্র শচীন
  • Update Time : শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫
Spread the love

খুলনা │ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য নির্মিত ২০০ শয্যার খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল এক বছর পার হলেও চালু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও গণপূর্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে হাসপাতাল ভবনটি এখনো অব্যবহৃত পড়ে আছে।

২০১৭ সালে অনুমোদন পাওয়া এ প্রকল্পের প্রথম ধাপে পঞ্চম তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ১১৪ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের জুনে নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ভবনটি গ্রহণ করেনি। গণপূর্ত বিভাগের দাবি—তারা ভবন হস্তান্তরের জন্য তিন দফা চিঠি পাঠিয়েছে, কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে—প্রাচীর ও প্রধান ফটক নির্মাণ না হওয়ায় হাসপাতাল এলাকা অরক্ষিত; তাছাড়া আসবাবপত্র ও জনবলও এখনো বরাদ্দ হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খুলনা বিভাগে শিশুদের জন্য এটি একমাত্র সরকারি বিশেষায়িত হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠানটি চালু হলে ১০ জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠী তুলনামূলক কম খরচে উন্নত চিকিৎসা পাবে।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. মুজিবুর রহমান বলেন, “হাসপাতালটি চালু হলে শিশুস্বাস্থ্যের মান বাড়বে এবং অন্য হাসপাতালগুলোর চাপও কমবে।”
খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান জানান, “গণপূর্ত ও স্বাস্থ্য বিভাগের জটিলতা দ্রুত সমাধান করে হাসপাতালটি চালু করা জরুরি।”

গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাসান বলেন, “প্রথম ধাপের কাজ শেষ করে আমরা তিনবার চিঠি দিয়েছি। এখন নতুন প্রকল্পে ছয় থেকে দশতলা সম্প্রসারণ ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদনের অপেক্ষায়।”

সরেজমিনে দেখা গেছে, সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাসপাতাল ভবনটির সৌন্দর্য থাকলেও দক্ষিণাংশে সীমানাপ্রাচীর ও গেট না থাকায় এলাকা অরক্ষিত। মাঠে স্থানীয় তরুণরা খেলাধুলা করছে, গরু-ছাগল অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025