
কর্তব্যনিষ্ঠা, সাহসিকতা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের ১৫ সদস্যকে পুরস্কৃত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
শনিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তাদের হাতে সম্মাননা, সনদ ও আর্থিক পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার ‘শাস্তি ও পুরস্কার’ নীতি কার্যকর করেছে। যারা দায়িত্ব পালনে সততা, দক্ষতা ও সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন তাদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে। পাশাপাশি গাফিলতি ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পুরস্কৃত চারটি ঘটনার মধ্যে রয়েছে—কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ট্রাফিক কনস্টেবল মো. কামরুজ্জামানের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, আদাবরে অস্ত্রধারী ছিনতাইকারী গ্রেফতার অভিযান, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচিত ডাকাতি ও গণধর্ষণ মামলার আসামিদের গ্রেফতার।
বিশেষ করে জলাবদ্ধতা দূর করতে নিজ হাতে ড্রেন পরিষ্কার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করায় ট্রাফিক কনস্টেবল মো. কামরুজ্জামানকে ‘পুলিশ ফোর্স এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ’, প্রশংসাপত্র এবং ২০ হাজার টাকা অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব পুলিশ সদস্যের দায়িত্বশীলতা ও সাহসিকতা পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে এবং জনগণের আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।