খুলনা মহানগরীর ঠিক কেন্দ্রস্থলে পি সি রায় রোডের কোল ঘেঁষে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনা শাখার পশ্চিমে বাবুখান রোডে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক শহীদ হাদিস পার্ক। ১৮৮৪ সালে খুলনা পৌরসভা
রূপসা নদীর ঢেউ আর বাতাসের মিতালিতে মিশে আছে কবি জীবনানন্দ দাসের সেই বিখ্যাত পঙ্ক্তিমালা। কবির কল্পনায় যে রূপসার ঘোলা জলে সাদা ছেঁড়া পালে কিশোরের ডিঙা বাওয়ার দৃশ্য ফুটে উঠেছিল,
খুলনা জেলা শহরের কোল ঘেঁষে বয়ে যাওয়া রূপসা নদীর পূর্ব পাড়ে বাগমারা গ্রামে নিভৃতে শায়িত আছেন বাংলার স্বাধীনতার ইতিহাসের অন্যতম মহানায়ক বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন। ১৯৭১ সালের রক্তঝরা
খুলনা মহানগরীর শিববাড়ী মোড়ের ব্যস্ততার মাঝে শান্ত ও গাম্ভীর্যপূর্ণ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ইতিহাসের জীবন্ত দলিল খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর। ১৯৯৮ সালের ১২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত এই স্থাপত্যটি কেবল একটি ভবন
খুলনা শহর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে ফুলতলা উপজেলার নিভৃতপল্লী দক্ষিণডিহি আজ বিশ্বজুড়ে রবীন্দ্র অনুরাগী ও পর্যটকদের কাছে এক আবেগের নাম। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত এই গ্রামটি কেবল একটি
ভ্রমণ মানুষের মনকে আনন্দ দেয় এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার পরিধি বাড়ায়। বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থাপনা, যা আমাদের গৌরবময় অতীতের নীরব সাক্ষী। তেমনই এক অনন্য
ছবি : স্যামুয়েল বোর্ন ১৮৬০ এক সময়ের ঢাকা শহরের বিনোদন ও সাংস্কৃতিক জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে ছিল বাইজি নাচ। সুর, তাল ও অভিজাত রুচির এক অনন্য শিল্পচর্চা হিসেবে পরিচিত এই
দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার খুলনা মহানগরীর বুকে ১৯৫২ সালের ২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এক অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যা আজ সাত দশক পেরিয়েও অত্র অঞ্চলের দ্বীনি শিক্ষার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে।
খুলনা শহরের ইতিহাস যেন এক সমান্তরাল রেখা, যেখানে প্রতিটি মোড়ে একেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা লিপিবদ্ধ। শহরটির সূচনা হয়েছিল মাত্র ১৮০ বছর আগে, ১৮৪২ সালে, যখন এটি বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির প্রথম মহকুমা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর রাজনৈতিক ও সামরিক জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাই ঘটেছিল বগুড়ার বাগবাড়ী গ্রামে। এই গ্রামে অবস্থিত তাঁর শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি