1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
বেহুলার বাসরঘর বগুরার গোকুল গ্রামের রহস্যঘেরা প্রত্নস্থান - khulnarprotichchobi
২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১২ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| রবিবার| সকাল ৯:১৪|
শিরোনামঃ
দিঘলিয়ায় ব‌্যাবসা‌য়ির বা‌ড়ি থে‌কে ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা চু‌রি খুলনা মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার খুলনা মডার্ণ ড্যান্সার্স অ্যাসোসিয়েশন ফেস্টিভ্যালে সম্মাননা পেলেন ইব্রাহিম খান ডাকটিকিট থেকে মসলিন—বিরল সংগ্রহে ইতিহাস ধরে রেখেছেন খুলনার এম এম হাসান মশার বংশবিস্তার রোধে ৫ পরামর্শ দিঘলিয়ায় মতুয়া মহাসম্মেলনে এম‌পি আজিজুল বা‌রি হেলাল দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে খুলনায় যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মুক্তিযুদ্ধের অমর স্মারক নড়াইলের ‘বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ কমপ্লেক্স’ চিত্রার তীরে শতাব্দীর সাক্ষী: ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যের মেলবন্ধনে নড়াইলের ঐতিহ্যবাহী বাঁধা ঘাট ইতিহাসের নীরব সাক্ষী লোহাগড়ার ঐতিহাসিক জোড় বাংলা মন্দির

বেহুলার বাসরঘর বগুরার গোকুল গ্রামের রহস্যঘেরা প্রত্নস্থান

পরশমণি
  • Update Time : শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫
Spread the love

বাংলার লোকসংস্কৃতির চিরন্তন প্রেমকাহিনি — বেহুলা ও লক্ষিন্দর।
জনশ্রুতি আছে, বগুড়ার গোকুল গ্রামেই ছিল তাদের সেই বাসরঘর। এখানেই নাকি ঘটেছিল সেই কিংবদন্তি বাসররাত, যেখানে কালনাগিনী দংশন করেছিল লক্ষিন্দরকে।

স্বামীর প্রাণহীন দেহ বুকে নিয়ে নদীর স্রোতে ভেসে যান বেহুলা।
অদম্য ভালোবাসা ও দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত দেবতাদের মন গলে যায়, ফিরে পান তার স্বামীকে।
এই কাহিনি আজও মানুষের মুখে মুখে — ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের এক অনন্য প্রতীক হয়ে।


🏛️ ইতিহাস যা বলে

তবে ইতিহাস বলছে অন্য কথা—
গোকুল মেধ আসলে একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার বা মঠ।
প্রত্নতাত্ত্বিক খননে দেখা গেছে, এখানে রয়েছে প্রায় ১৭২টি কক্ষ বা সেল।
গুপ্ত ও পাল যুগের ইটের নির্মাণশৈলী প্রমাণ করে, এ স্থানটি বহু প্রাচীন।

সময় গড়াতে গড়াতে স্থানটি লোককথার আবেশে ঢেকে যায়।
আর সেই ঐতিহাসিক ধ্বংসাবশেষই আজ পরিচিত “বেহুলার বাসরঘর” নামে।
এখানে যেন ইতিহাস আর জনশ্রুতি মিলেমিশে গেছে এক অদ্ভুত মোহে।


বর্তমানে গোকুল মেধ বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে সংরক্ষিত।
বগুড়া শহর থেকে সহজেই যাওয়া যায় — রিকশা, অটো বা স্থানীয় পরিবহনে।
প্রতিদিন বহু দর্শনার্থী ও ইতিহাসপ্রেমী ঘুরে যান এই ঐতিহ্যবাহী স্থানে।


এখানে যেমন আছে লোকবিশ্বাসের রঙিন গল্প, তেমনি আছে প্রত্নতাত্ত্বিক সত্যের প্রমাণ।
ভালোবাসা, আত্মত্যাগ ও ইতিহাসের সমন্বয়ে গোকুল মেধ আজও মানুষকে মুগ্ধ করে রাখে।

📍 ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এটি শুধু একটি স্থান নয়, এটি এক জীবন্ত ইতিহাসের প্রতীক।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025