1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
সোনারগাঁয়ে ১০৯ জনকে ‘ভুয়া’ দাবি করা সেই ডেপুটি কমান্ডার আলতাফই এখন তালিকার বাইরে - khulnarprotichchobi
১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| সকাল ৮:৩৫|
শিরোনামঃ
খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবলীগ কর্মী নিহত ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ ডুমুরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে যাত্রীবাহী বাস, পথচারী নারী গুরুতর আহত খুলনায় লেক থেকে কিশোরের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার নিরালার ভাড়া বাসায় গৃহবধূর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ বড় বোন হারিয়ে হাসতে ভুলে যাওয়া তাহসিনের মুখে আবারও হাসি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ লবণচরায় কেএমপির নিজস্ব থানা উদ্বোধন জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন উপলক্ষে গ্রাফিতি প্রতিযোগিতা অনু‌ষ্ঠিত বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনির সুস্থতার কামনা বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনি হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

সোনারগাঁয়ে ১০৯ জনকে ‘ভুয়া’ দাবি করা সেই ডেপুটি কমান্ডার আলতাফই এখন তালিকার বাইরে

নিজেস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
Spread the love

 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে এক নাটকীয় মোড় দেখা দিয়েছে। ১০৯ জন সহযোদ্ধাকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে চিহ্নিত করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) অভিযোগ জমা দিয়েছিলেন যে ব্যক্তি, খোদ তিনিই এখন সেই তালিকা থেকে ছিটকে পড়েছেন। গত ২ মার্চ সোমবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, জামুকার ১০৩তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারাদেশে ৭৮ জনের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে। এই তালিকায় সোনারগাঁ উপজেলার মোট ৫১ জনের নাম রয়েছে, যার মধ্যে অভিযোগকারী ও সোনারগাঁ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ডেপুটি কমান্ডার আলতাফ হোসেনের নাম ৫৪ নম্বরে স্থান পেয়েছে। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে খোদ একজন পদধারী নেতার নাম বাতিলের এই ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আলতাফ হোসেনের করা আবেদনের ভিত্তিতেই ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর জামুকার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সোনারগাঁয়ে সরেজমিনে গণশুনানি পরিচালনা করে। জামুকার মহাপরিচালক শাহিনা খাতুনের নেতৃত্বে ওই তদন্ত কমিটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মুহিবুর রহমান, হাবিবুল্লাহ আলমসহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট সদস্য এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা রহমান উপস্থিত ছিলেন। গণশুনানির প্রাপ্ত তথ্য ও দালিলিক প্রমাণাদি পর্যালোচনার পর কমিটি আলতাফ হোসেনসহ ৫১ জনের মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিলের জোরালো সুপারিশ করে, যা পরবর্তী সভায় চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়। অর্থাৎ যাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেই তদন্ত প্রক্রিয়াতেই খোদ অভিযোগকারীর নিজের নথিপত্রও প্রশ্নবিদ্ধ প্রমাণিত হয়েছে।

তবে নিজের নাম বাতিল হওয়ার এই সিদ্ধান্তকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন আলতাফ হোসেন। তার দাবি, শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় প্রভাবশালী মহলের রোষানলে পড়ে তাকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজেকে ভারতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন সম্মুখ সমরের কমান্ডার হিসেবে দাবি করে জানিয়েছেন যে, তার কাছে থাকা সব বৈধ প্রমাণপত্র নিয়ে তিনি আবারও জামুকার কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন। অন্যদিকে, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি বড় অংশ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে। সোনারগাঁয়ের এই ঘটনাটি এখন জাতীয় পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ উদাহরণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025