1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
হামের প্রকোপে বাড়ছে উদ্বেগ: লক্ষণ ও প্রতিকারে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও সতর্কবার্তা - khulnarprotichchobi
৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বৃহস্পতিবার| রাত ৩:০৮|
শিরোনামঃ
বড় বোন হারিয়ে হাসতে ভুলে যাওয়া তাহসিনের মুখে আবারও হাসি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ লবণচরায় কেএমপির নিজস্ব থানা উদ্বোধন জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন উপলক্ষে গ্রাফিতি প্রতিযোগিতা অনু‌ষ্ঠিত বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনির সুস্থতার কামনা বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনি হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা মরহুম শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশেষ দোয়া মাহফিল বুধবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গ্রেনেড বাবু’র ৩ সহযোগী গ্রেপ্তার খুলনা রেলস্টেশনে মার্বেল টাইলসের ওপর ঘুমিয়ে থাকা শিশুর ছবি নাড়া দিল হৃদয় খুলনা মহানগর যুবদলের ৩১ ওয়ার্ড কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

হামের প্রকোপে বাড়ছে উদ্বেগ: লক্ষণ ও প্রতিকারে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও সতর্কবার্তা

এস, এম আরাফাত আলী
  • Update Time : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
Spread the love

 

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জেলায় শিশুদের মধ্যে জ্বর ও শরীরে লালচে র‍্যাশের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ভিড় করা এসব শিশুর অনেকের শরীরেই সংক্রামক ব্যাধি হাম শনাক্ত হচ্ছে, যা ইতিমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী রূপ নিয়েছে। মূলত ‘রুবেলা’ নামক এক অতিসংক্রামক ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ানো এই রোগটি শিশুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িকভাবে ধ্বংস করে দেয়। এর ফলে আক্রান্ত শিশু খুব সহজেই নিউমোনিয়া, মারাত্মক ডায়রিয়া, কানপাকা কিংবা মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতায় ভোগে। বিশেষ করে এই ভাইরাসের আক্রমণে শরীরে ভিটামিন ‘এ’-এর মজুত দ্রুত কমে যাওয়ায় শিশুর চোখ শুষ্ক হয়ে রাতকানা থেকে শুরু করে স্থায়ী অন্ধত্ব পর্যন্ত হতে পারে।

হামের সংক্রমণ প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুত এবং ছোঁয়াচে প্রকৃতির। আক্রান্ত শিশুর হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে এই ভাইরাস মুহূর্তেই সুস্থ শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব তৈরি করে। এই সংকট মোকাবিলায় দেশে প্রচলিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ ‘এমআর’ বা মিজলস রুবেলা টিকা দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৮৮ শতাংশ শিশু এই টিকার আওতায় আসলেও এখনো একটি বড় অংশ টিকাবঞ্চিত রয়ে গেছে। মূলত এই টিকাবঞ্চিত শিশুরাই সংক্রমণের প্রধান ঝুঁকিতে থাকে এবং তাদের মাধ্যমেই রোগটি দ্রুত সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। তবে কিছু ক্ষেত্রে টিকা নেওয়ার পরও শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি না হওয়ায় পুনরায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুর জ্বর ও শরীরে র‍্যাশ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেটিকে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। আক্রান্ত শিশুকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে অন্তত পাঁচ দিন অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা জরুরি। এ সময় শিশুর নিয়মিত খাবার ও পানীয় বজায় রাখার পাশাপাশি চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক এবং বয়সভেদে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো বাধ্যতামূলক। যদি শিশুর মধ্যে শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি, বারবার বমি কিংবা নিস্তেজ হয়ে পড়ার মতো কোনো বিপদচিহ্ন দেখা দেয়, তবে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। বিশেষ করে চোখের মণি ঘোলা হওয়া বা দৃষ্টিশক্তির সমস্যা দেখা দিলে ১৪ দিনের মাথায় তৃতীয় ডোজের ভিটামিন ‘এ’ নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক সময়ে টিকাদান এবং সচেতনতাই পারে শিশুদের এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষা দিতে।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025