বাংলা সাহিত্যের দিগন্তবিস্তারী আকাশে যে কজন নক্ষত্র আপন মহিমায় ভাস্বর, জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান তাদের মধ্যে অন্যতম। একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, অনুবাদক এবং প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ হিসেবে তিনি নিজেকে
বিংশ শতাব্দীর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের আকাশে কবি ফররুখ আহমদ এক উজ্জ্বল ধ্রুবতারা হিসেবে দেদীপ্যমান। ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন
বাংলার সাহিত্যাকাশে যে কজন মনীষী যুক্তিবাদ, মানবতা এবং সমাজ সংস্কারকে নিজের জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন, ডা. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান তাদের মধ্যে অন্যতম। ১৮৮৯ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের যশোর
মাথার ওপর নিশ্চল ফুটবল, অথচ দুই হাত হ্যান্ডেলে রেখে প্যাডেল ঘুরিয়ে এগিয়ে চলছেন এক স্বপ্নবাজ মানুষ। মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের আব্দুল হালিম আবারও প্রমাণ করলেন যে,
বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে যে সাতজন বীর সন্তান তাঁদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ও অন্যতম সাহসী নাম শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান। ১৯৫৩ সালের
বাংলার দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ প্রান্তরে যে ক’জন সূর্যসন্তানের রক্তে এদেশের মানচিত্র রঞ্জিত হয়েছে, ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ তাদের মধ্যে অন্যতম এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল
খুলনার আঞ্চলিক সাংবাদিকতার অঙ্গনে সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব, দৈনিক প্রবাহ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আশরাফ-উল-হক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বুধবার দুপুরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে এয়ার
বাংলার লোক-ঐতিহ্য আর আধ্যাত্মিক সাধনার আকাশে যে নামটি ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল, তিনি বাউল সম্রাট লালন শাহ। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে আবির্ভূত এই মহাপুরুষ কেবল একজন চারণ কবি বা গায়ক ছিলেন
বাংলাদেশের ক্রিয়েটিভ মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন মাত্রা যোগ করছেন খুলনার তরুণ প্রতিভা রিয়াদ আহসান রনি। বিজ্ঞাপন নির্মাতা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে তিনি বর্তমানে বিজ্ঞাপন জগতে এক পরিচিত
উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্যের আকাশে মীর মশাররফ হোসেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম, যিনি আপন লেখনীর ধারায় বাঙালি মুসলমান সমাজকে আধুনিক সাহিত্য চর্চায় পথ দেখিয়েছিলেন। ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়ার