
খাদ্যনিরাপত্তা ও উৎপাদন বৃদ্ধির বৃহত্তর স্বার্থে মৎস্য ও পোল্ট্রি খাতে বিদ্যুৎখাতে ভর্তুকি দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেছেন, “কৃষিখাতে ভর্তুকি মূল্যে বিদ্যুৎ বিল প্রদান করা হলেও মৎস্য ও পোল্ট্রি খাতে এখনো ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেটে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে”।
সোমবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর চৌধুরী অডিটোরিয়ামে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত “ক্যাব যুব সংসদ-২০২৫”-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানান, মৎস্য ও পোল্ট্রি খাতে বিদ্যুৎ বিল কমাতে বছরে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এখানে “টাকার অঙ্ক দেখে পিছিয়ে থাকা যাবে না”।
তিনি আরও যোগ করেন, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে এবং এখন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর অনুমোদনের অপেক্ষা।
বিদ্যুৎ খাতে বৈষম্যের কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন:
বৈশ্বিক জলবায়ু ইস্যুতে ধনী দেশগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে উপদেষ্টা বলেন, কপ সম্মেলনে “নেট জিরো কার্বন এমিশন” প্রতিশ্রুতিটি আসলে ধনী দেশগুলোর একটি প্রতারণামূলক প্রস্তাব। তিনি মন্তব্য করেন:
ক্যাব-এর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব)-এর সভাপতি সাবেক শ্রম সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।