1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
মওলানা ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে ফ্যাসিস্টদের বিতাড়ন করা সম্ভব হবে না: জোনায়েদ সাকি - khulnarprotichchobi
৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বৃহস্পতিবার| সকাল ৬:২৯|
শিরোনামঃ
বড় বোন হারিয়ে হাসতে ভুলে যাওয়া তাহসিনের মুখে আবারও হাসি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ লবণচরায় কেএমপির নিজস্ব থানা উদ্বোধন জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন উপলক্ষে গ্রাফিতি প্রতিযোগিতা অনু‌ষ্ঠিত বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনির সুস্থতার কামনা বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনি হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা মরহুম শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশেষ দোয়া মাহফিল বুধবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গ্রেনেড বাবু’র ৩ সহযোগী গ্রেপ্তার খুলনা রেলস্টেশনে মার্বেল টাইলসের ওপর ঘুমিয়ে থাকা শিশুর ছবি নাড়া দিল হৃদয় খুলনা মহানগর যুবদলের ৩১ ওয়ার্ড কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

মওলানা ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে ফ্যাসিস্টদের বিতাড়ন করা সম্ভব হবে না: জোনায়েদ সাকি

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫
Spread the love

 

মওলানা ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গণসংহতি আন্দোলন–জিএসএ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, “ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে ফ্যাসিস্টদের বিতাড়ন করা সম্ভব নয়। গণঅভ্যুত্থানের রাজনীতি এবং মওলানা ভাসানীর দেখানো দিশা ছাড়া রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিক রূপে দাঁড় করানো সম্ভব নয়।”

আজ রবিবার (১৬ নভেম্বর ২০২৫), জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত “মওলানা ভাসানী ও গণঅভ্যুত্থানের রাজনীতি: বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথ” শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন,
“মওলানা ভাসানী ছিলেন স্বাধীনতা, স্বাধিকার, আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতিটি আন্দোলনের অগ্রসেনানী। এবারের গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিক, কৃষক, খেটে খাওয়া মানুষ, মেহনতি তরুণ–নারীরা মুখ্য ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—তাদের ন্যায্য হিস্যা কোথায়? নারীর ন্যায্য হিস্যা কোথায়? প্রান্তিক মানুষের ন্যায্য হিস্যা কোথায়? এই হিস্যা চাওয়া ও নিশ্চিত করাই গণঅভ্যুত্থানের রাজনীতি।”

তিনি আরও বলেন,
“বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে কি না — এটি আজ সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। ন্যায়বিচার ছাড়া রাষ্ট্র টিকে থাকতে পারে না। কেবল শাসককে গালাগালি কিংবা স্থাপনা ভেঙে ফেললেই ফ্যাসিবাদ দূর হবে না। ন্যায়বিচার ও নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ফ্যাসিস্টদের বিতাড়ন করা সম্ভব।”

জোনায়েদ সাকি বলেন,
“জামাতসহ আটটি দল নির্বাচনের হুমকি দিচ্ছে—এটা কাকে উদ্দেশ্য করে? গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য ন্যূনতম জাতীয় ঐকমত্য জরুরি। বিচার–সংস্কার–নির্বাচন—এই তিন ধাপ ছাড়া উত্তরণ সম্ভব নয়। সেই দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারেরই নিতে হবে।”

তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক করে বলেন,
“নিজেদের স্বার্থ চাপিয়ে দিলে সংকট বাড়বে, যার সুবিধা পাবে ফ্যাসিস্ট ও তাদের দেশি–বিদেশি মিত্ররা। গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও শহীদদের রক্তের মর্যাদা রাখতে আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে এগোতে হবে।”

সভায় সূচনা বক্তব্যে গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন,
“আইউবশাহীর স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী দেখিয়েছিলেন—গণঅভ্যুত্থান ছাড়া মুক্তি নেই। ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে সবাই অংশ নিলেও সকলের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রের মৌলিক গণতান্ত্রিক রূপান্তর ঘটাতে হলে জনগণের রায়ে নির্বাচিত সংসদকে সংবিধান সংস্কার ও সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দিতে হবে।”

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন—

  • মাহমুদুর রহমান মান্না, সভাপতি, নাগরিক ঐক্য

  • নুরুল হক নুর, সভাপতি, গণঅধিকার পরিষদ

  • অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, সভাপতি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন

  • সাইফুল হক, সাধারণ সম্পাদক, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি

  • শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, চেয়ারম্যান, ভাসানী জনশক্তি পার্টি

  • তানিয়া রব, সিনিয়র সহ–সভাপতি, জেএসডি

  • মজিবুর রহমান মঞ্জু, চেয়ারম্যান, এবি পার্টি

বক্তারা বলেন, মওলানা ভাসানীর রাজনীতি আজও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথচলার জন্য প্রাসঙ্গিক। সামনে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের মাধ্যমে দায়বদ্ধ রাষ্ট্র গঠন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ওপর তারা জোর দেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—
গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আবদুর রশীদ নীলু, নির্বাহী কমিটির সদস্য বাচ্চু ভুইয়া, দীপক কুমার রায়, আলিফ দেওয়ান, মনিরুল হুদা বাবন, ইখতিয়ার উদ্দিন বিপা, জাহিদ সুজন, আবদুল্লাহ নাদভী, তাহসিন মাহমুদ, এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025