
নতুন এক পরীক্ষার অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে হাড় ভাঙা ও স্থানচ্যুত বা সরে যাওয়া হাড় শনাক্ত করতে এবং দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা সেবা দিতে ব্যবহৃত হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।
নভেম্বরের শেষে শুরু হতে যাওয়া দুই বছরের ‘এনএইচএস ইংল্যান্ড পাইলট’ নামের প্রকল্পে অংশ নেবে ‘নর্দার্ন লিংকনশায়ার’ ও ‘গুল এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট’-এর জরুরি বিভিন্ন বিভাগ। এ প্রসঙ্গে বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা এ প্রকল্পে অংশ নিয়ে এআই ব্যবহার করে দ্রুত চিকিৎসা পদ্ধতির পরীক্ষা করবে, যাতে ভবিষ্যতে তা জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবায় ব্যবহার করতে পারে।
উন্নত প্র্যাকটিশনার ও রিপোর্টিং রেডিওগ্রাফার জেক বেটস বলেছেন, এ পদ্ধতিতে সাধারণ ইমেজের পাশাপাশি রোগীর রেকর্ডে প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে এআইয়ের মাধ্যমে চিহ্নিত করা একটি সংস্করণও থাকবে, যা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরবে এবং চিকিৎসক চাইলে তা আরও বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করতে পারবেন। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি এক্স-রে রিপোর্ট আমাদের চিকিৎসকরাই পরীক্ষা করবেন এবং তারাই রোগীর রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
‘গুল এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট’ বলেছে, এআই সফটওয়্যারটি চিকিৎসকদের রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করার জন্য অতিরিক্ত এক সহায়ক উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
তবে যুক্তরাজ্যের স্কানথর্প, গ্রিমসবি ও গুল হাসপাতাল পরিচালনা করা ট্রাস্টটি বলেছে, এ প্রযুক্তি দুই বছরের কম বয়সী রোগী, অ্যাপসেন্ট ও ইনপেশেন্ট ক্লিনিক, বক্ষ, মেরুদণ্ড, মাথার খুলি, মুখের বা নরম টিস্যু ইমেজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হবে না।
জরুরি চিকিৎসা বিভাগের পরামর্শক আবদুল খান বলেছেন, সম্ভাব্য এসব সমস্যা শনাক্ত করতে সহায়তার জন্য এআই প্রযুক্তির ব্যবহার উত্তর ইউরোপজুড়ে চিকিৎসা সেবার চাহিদা মেটাতে সাহায্য করেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে এবং এখানেও তা একই রকম প্রভাব ফেলতে পারে কি না তা দেখতে আমরা আগ্রহী।