1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
রোমের কলোসিয়াম: বিশ্বের অন্যতম বিস্ময়কর স্থাপত্যের ইতিহাস ও মহিমা - khulnarprotichchobi
৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| সকাল ৬:০৬|
শিরোনামঃ
দিঘলিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। দিঘলিয়ায় মতুয়া মহা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দিঘলিয়ায় শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত শিশু নিহতের পর মাজারের দিঘি থেকে সরানো হলো কুমির শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে খুলনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান খুলনায় ট্রিপল মার্ডার: সৎ পিতার নামে হত্যা মামলা, পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ দিঘ‌লিয়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত ক্যান্সারকে ভয় নয়, সাহস দিয়ে মোকাবিলা করছেন খুলনার ভ্লগার সাজিদ খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা শাহরুজ্জামান মোর্ত্তজার ইন্তেকাল ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদের নামাজে হাজারো মুসল্লির ঢল

রোমের কলোসিয়াম: বিশ্বের অন্যতম বিস্ময়কর স্থাপত্যের ইতিহাস ও মহিমা

ইউলাদ রানা ইতালি
  • Update Time : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
Spread the love

ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত কলোসিয়াম মানবসভ্যতার ইতিহাসে অন্যতম বিস্ময়কর স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। ২,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা এই বিশাল অ্যাম্ফিথিয়েটার আজও বিশ্বের কোটি মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

কলোসিয়াম ছিল প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন কেন্দ্র। এখানে অনুষ্ঠিত হতো—

গ্ল্যাডিয়েটরদের প্রাণঘাতী লড়াই,বন্য পশু শিকার,নৌ-যুদ্ধের অনুকরণ,জনসমাবেশ ও বিভিন্ন উৎসবের প্রদর্শনী।

গবেষকদের মতে, এখানে একসঙ্গে ৫০ থেকে ৮০ হাজার দর্শক বসতে পারত—যা সে সময়ের জন্য অবিশ্বাস্য এক প্রকৌশল বিস্ময়।

কলোসিয়ামের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৭০–৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপাসিয়ান–এর শাসনামলে। তার মৃত্যুর পর সমাপ্তির কাজ করেন তার পুত্র টাইটাস। পরে সম্রাট ডোমিশিয়ান এর সময় আরও কিছু সম্প্রসারণ যোগ করা হয়। এটি মূলত “ফ্লাভিয়ান অ্যাম্ফিথিয়েটার” নামে পরিচিত ছিল, কারণ নির্মাতা তিন সম্রাটই ছিলেন ফ্লাভিয়ান রাজবংশের।

পুরো স্থাপনাটি উপবৃত্তাকার, যার দৈর্ঘ্য ১৮৯ মিটার এবং প্রস্থ ১৫৬ মিটার। উচ্চতা প্রায় ৪৮.৫ মিটার—প্রায় আধুনিক ১৫ তলা ভবনের সমান। এতে ব্যবহৃত হয়েছে কংক্রিট, টুফা পাথর, এবং ট্র্যাভারটাইন লাইমস্টোন, যা ২,০০০ বছর পরেও স্থাপনাটিকে শক্তভাবে ধরে রেখেছে। দর্শকদের প্রবেশ–বহির্গমনের জন্য ছিল ৮০টিরও বেশি প্রবেশদ্বার, ফলে কয়েক মিনিটেই হাজারো মানুষ প্রবেশ করতে পারতেন।

আজ এটি ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৭ মিলিয়নের বেশি পর্যটক কলোসিয়াম দেখতে রোমে ভিড় করেন। রোমান সাম্রাজ্যের শক্তি, সংস্কৃতি, প্রকৌশল এবং নির্মাণশৈলীর অনন্য স্মারক হিসেবে কলোসিয়াম আজও মানুষের কৌতূহল জাগিয়ে রেখেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ থেকেও অসংখ্য পর্যটক ইতালি ভ্রমণ করছেন এবং রোম ভ্রমণের মূল আকর্ষণ হিসেবে কলোসিয়ামকে বেছে নিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #Italy_Rome 🇮🇹🇧🇩 হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে অনেকে কলোসিয়ামের ছবি ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025