1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. khulnarprotichchobi@gmail.com : khulnarprotichchob :
  3. shobuj.khulna@gmail.com : al masum Shobuj : al masum Shobuj
রোমের কলোসিয়াম: বিশ্বের অন্যতম বিস্ময়কর স্থাপত্যের ইতিহাস ও মহিমা - khulnarprotichchobi
৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শুক্রবার| ভোর ৫:৫৫|
শিরোনামঃ
ডুমুরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে যাত্রীবাহী বাস, পথচারী নারী গুরুতর আহত খুলনায় লেক থেকে কিশোরের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার নিরালার ভাড়া বাসায় গৃহবধূর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ বড় বোন হারিয়ে হাসতে ভুলে যাওয়া তাহসিনের মুখে আবারও হাসি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ লবণচরায় কেএমপির নিজস্ব থানা উদ্বোধন জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন উপলক্ষে গ্রাফিতি প্রতিযোগিতা অনু‌ষ্ঠিত বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনির সুস্থতার কামনা বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুন আক্তার মনি হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা মরহুম শফিউল বারী বাবুর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশেষ দোয়া মাহফিল বুধবার

রোমের কলোসিয়াম: বিশ্বের অন্যতম বিস্ময়কর স্থাপত্যের ইতিহাস ও মহিমা

ইউলাদ রানা ইতালি
  • Update Time : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
Spread the love

ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত কলোসিয়াম মানবসভ্যতার ইতিহাসে অন্যতম বিস্ময়কর স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। ২,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা এই বিশাল অ্যাম্ফিথিয়েটার আজও বিশ্বের কোটি মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

কলোসিয়াম ছিল প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন কেন্দ্র। এখানে অনুষ্ঠিত হতো—

গ্ল্যাডিয়েটরদের প্রাণঘাতী লড়াই,বন্য পশু শিকার,নৌ-যুদ্ধের অনুকরণ,জনসমাবেশ ও বিভিন্ন উৎসবের প্রদর্শনী।

গবেষকদের মতে, এখানে একসঙ্গে ৫০ থেকে ৮০ হাজার দর্শক বসতে পারত—যা সে সময়ের জন্য অবিশ্বাস্য এক প্রকৌশল বিস্ময়।

কলোসিয়ামের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৭০–৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপাসিয়ান–এর শাসনামলে। তার মৃত্যুর পর সমাপ্তির কাজ করেন তার পুত্র টাইটাস। পরে সম্রাট ডোমিশিয়ান এর সময় আরও কিছু সম্প্রসারণ যোগ করা হয়। এটি মূলত “ফ্লাভিয়ান অ্যাম্ফিথিয়েটার” নামে পরিচিত ছিল, কারণ নির্মাতা তিন সম্রাটই ছিলেন ফ্লাভিয়ান রাজবংশের।

পুরো স্থাপনাটি উপবৃত্তাকার, যার দৈর্ঘ্য ১৮৯ মিটার এবং প্রস্থ ১৫৬ মিটার। উচ্চতা প্রায় ৪৮.৫ মিটার—প্রায় আধুনিক ১৫ তলা ভবনের সমান। এতে ব্যবহৃত হয়েছে কংক্রিট, টুফা পাথর, এবং ট্র্যাভারটাইন লাইমস্টোন, যা ২,০০০ বছর পরেও স্থাপনাটিকে শক্তভাবে ধরে রেখেছে। দর্শকদের প্রবেশ–বহির্গমনের জন্য ছিল ৮০টিরও বেশি প্রবেশদ্বার, ফলে কয়েক মিনিটেই হাজারো মানুষ প্রবেশ করতে পারতেন।

আজ এটি ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৭ মিলিয়নের বেশি পর্যটক কলোসিয়াম দেখতে রোমে ভিড় করেন। রোমান সাম্রাজ্যের শক্তি, সংস্কৃতি, প্রকৌশল এবং নির্মাণশৈলীর অনন্য স্মারক হিসেবে কলোসিয়াম আজও মানুষের কৌতূহল জাগিয়ে রেখেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ থেকেও অসংখ্য পর্যটক ইতালি ভ্রমণ করছেন এবং রোম ভ্রমণের মূল আকর্ষণ হিসেবে কলোসিয়ামকে বেছে নিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #Italy_Rome 🇮🇹🇧🇩 হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে অনেকে কলোসিয়ামের ছবি ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন।

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025